৩ নভেম্বর ভারতের ওড়িশার কেন্দ্রাপাড়া জেলার বাদাকোটা গ্রামের কাছে হাঁসুয়া নদীতে একটি স্ত্রী লোনাপানির কুমির মৃত পাওয়া গেছে। ভিতরকণিকা জাতীয় উদ্যান ও আশপাশে ২৭ দিনে এটি পঞ্চম কুমিরের মৃত্যু, জানিয়েছে ডাউন টু আর্থ।
এর আগে ৬ অক্টোবর ব্রাহ্মণী নদীতে ৪.২৬ মিটার লম্বা একটি পুরুষ, ২২ অক্টোবর হাঁসুয়ায় ১.১২ মিটারের একটি স্ত্রী, ২৪ অক্টোবর ব্রাহ্মণীর তীরে ২.১৩ মিটারের একটি স্ত্রী এবং ২৫ অক্টোবর লুনা নদীতে ১.৮৮ মিটারের একটি স্ত্রী কুমির মৃত পাওয়া যায়।
ময়নাতদন্ত হয়েছে, টিস্যুর নমুনা পাঠানো হয়েছে ওড়িশা কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ওয়াইল্ডলাইফ হেলথে। উদ্যানের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরদারাজ গাঁওকর (Varadaraj Gaonkar) বলেন, প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
রাজ্য বন বিভাগের সাবেক গবেষক ও সরীসৃপবিদ সুধাকর কর (Sudhakar Kar) এসব মৃত্যুর জন্য উদ্যান ও আশপাশের জলাশয়ের দুর্বল সুরক্ষাকে দায়ী করেছেন। তাঁর অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও সেখানে অবৈধ মাছ ধরা চলছে, আর নিষিদ্ধ জালে আটকে কুমির শ্বাস নিতে না পেরে মারা যেতে পারে। তিনি বলেন, প্রজননক্ষম বয়সের কুমির হারিয়ে যাচ্ছে।
এই নিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুর সংখ্যা ছয় বছরে ২২ এবং ১৪ বছরে ৪৪-এ দাঁড়াল। ১৯৭৫ সালে সংরক্ষণ কর্মসূচি শুরুর সময় এখানে কুমির ছিল আনুমানিক ৯৫টি, ২০২৬ সালের জানুয়ারির শুমারিতে তা ১,৮৫৮।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন ডাউন টু আর্থের আশিস সেনাপতি (Ashis Senapati)।
ছবি: Souvik221917 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: ডাউন টু আর্থ





মন্তব্য
(০)