যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা ইপিএ জানিয়েছে, ২০০৫ সালের এয়ার কমপ্লায়েন্স চুক্তির অধীনে তারা আর নির্গমন নির্ণয়ের পদ্ধতি তৈরি করবে না। এতে শূকর, পোলট্রি ও দুগ্ধ খামার নিয়ে দুই দশকের একটি উদ্যোগ শেষের দিকে যাচ্ছে, জানিয়েছে ফার্মস ডটকম।
চুক্তিতে যুক্ত প্রায় ২,৬০০ পশু পালন প্রতিষ্ঠান, অর্থাৎ প্রায় ১৪ হাজার খামার ও স্থাপনা এই সিদ্ধান্তের আওতায় পড়ছে। ইপিএর প্রয়োগ দপ্তর চুক্তির বাধ্যবাধকতাও শেষ করার কাজ করবে।
ন্যাশনাল এয়ার এমিশনস মনিটরিং স্টাডি ২০০৫ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে অ্যামোনিয়া, হাইড্রোজেন সালফাইড, সূক্ষ্ম কণা ও উদ্বায়ী জৈব যৌগের তথ্য সংগ্রহ করে। লক্ষ্য ছিল খামারগুলো যেন নিজেদের নির্গমন হিসাব করে নিয়ন্ত্রক দায় বুঝতে পারে।
ইপিএ এখন বলছে, খামারঘর, পশুপালের আকার, চর্চা ও গোবর ব্যবস্থাপনা অনেক বদলে গেছে। সংস্থার বায়ু ও বিকিরণ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রশাসক অ্যাবিগেল টার্ডিফ (Abigale Tardif) বলেন, এই তথ্য এত পুরোনো ও সীমিত যে তা দিয়ে খামারের ভরসাযোগ্য পদ্ধতি বানানো যায় না।
২০২৪ সালের নভেম্বরে সংস্থাটি হালনাগাদ খসড়া পদ্ধতি মতামতের জন্য প্রকাশ করেছিল। ২০২৫ সালের আগস্টে মতামত নেওয়া শেষ হলে তথ্যের এমন সীমাবদ্ধতা ধরা পড়ে, যা ঠিক করা সম্ভব নয়। এ বছরের অক্টোবরের সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, এই কাঠামো আর মূল উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে না।
ইপিএ বলছে, এই পদক্ষেপ ক্লিন এয়ার অ্যাক্টের বাস্তবায়ন বা গ্রামীণ এলাকাসহ পরিষ্কার বাতাসের অঙ্গীকার বদলাচ্ছে না।
ছবি: unknown author / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)