শুষ্ক আবহাওয়ায় চারণভূমিতে ভুলের সুযোগ কম, বলছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব আরকানসাসের কৃষি বিভাগ। খামারিরা যেন খরা সামলে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারেন, সে জন্য কিছু চর্চার পরামর্শ দিয়েছে তারা, জানিয়েছে ফার্মস ডটকম।
প্রথম কাজ ঘাসকে বিশ্রাম দেওয়া। একটানা চরালে দুর্বল গাছ আরও চাপে পড়ে, নতুন গজানো ধীর হয়। পালা করে চরালে পশু এক সময়ে এক অংশেই থাকে। ঘাস কমে গেলে পশুকে নির্দিষ্ট একটি জমিতে সরিয়ে খড় খাওয়াতে হতে পারে।
খড় খাওয়ানো জমিরও উপকার করে, কারণ গোবর ও উচ্ছিষ্ট গাছের অংশে পুষ্টি মাটিতে ফেরে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুখাদ্য প্রশিক্ষক কেনি সাইমন (Kenny Simon) বলেন, নতুন বেল দেওয়ার সময় প্রতিবার খাওয়ানোর জায়গা বদলাতে হবে। তাঁর পরামর্শ, শুষ্ক সময়ে খামারের নিচু অংশে শুরু করে ধীরে উঁচু জমির দিকে যাওয়া।
আগাম পরিকল্পনাও জরুরি। রাইগ্রাস, গম, সিরিয়াল রাই, ওট ও ট্রিটিকেলের মতো শীতকালীন পশুখাদ্য শীতের শেষে ও বসন্তের শুরুতে চারণের সুযোগ দেয়, খরার পরের ঘাটতিও পূরণ করে। আগে বুনলে সাধারণত ভালো হয়, তবে পরিবেশ অনুকূল থাকলে দেরিতে বোনাও কাজে দেয়। রাইগ্রাস ও ওট থেকে বাড়তি খড়ও পাওয়া যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা খামারিদের নিয়মিত চারণভূমি দেখতে, চরানোর পরিকল্পনা বদলাতে এবং ঘাটতি তীব্র হওয়ার আগেই বাড়তি পশুখাদ্যের কথা ভাবতে বলছেন।
ছবি: Jeff Vanuga, USDA NRCS / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)