সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৩ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭২%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

হালদার দুই পাড়ে ১ হাজার ২৯ প্রজাতির উদ্ভিদ, বিপন্ন ২৩টি, দূষণের উৎস ২৯

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে ইকোর গবেষণায় হালদার তীরে ১ হাজার ২৯ প্রজাতির উদ্ভিদ শনাক্ত হয়েছে, যার ৫১৭টি ঔষধি ও ২৩টি বিপন্ন; সংরক্ষণ না হলে আরও ১০০ প্রজাতি বিপন্ন হতে পারে, দূষণের উৎস চিহ্নিত ২৯টি।

হালদার দুই পাড়ে ১ হাজার ২৯ প্রজাতির উদ্ভিদ, বিপন্ন ২৩টি, দূষণের উৎস ২৯
পরিবেশ

দেশের প্রধান প্রাকৃতিক মাছ প্রজননক্ষেত্র হালদা নদীর দুই পাড়ে ১ হাজার ২৯ প্রজাতির উদ্ভিদ শনাক্ত করেছেন গবেষকেরা। এর ৫১৭টি ঔষধি, ২৩টি বিপন্ন, আর সংরক্ষণের উদ্যোগ না নিলে আরও ১০০টি প্রজাতি বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে। একই গবেষণায় নদীদূষণের ২৯টি উৎস চিহ্নিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) চট্টগ্রামে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ইফেক্টিভ ক্রিয়েশন অন হিউম্যান ওপিনিয়নের (ইকো) সংবাদ সম্মেলনে এ ফল তুলে ধরা হয়।

বিএসআরএমের সহযোগিতায় ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত গবেষণাটি চালানো হয়। নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ওমর ফারুক (রাসেল), তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিভাগের সাবেক সভাপতি ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ বখতিয়ার উদ্দীন।

শনাক্ত উদ্ভিদগুলো ৫৮৭টি গণ ও ১৫২টি পরিবারের। এর মধ্যে বড় বৃক্ষ ২১২ প্রজাতির, গুল্ম ১৩৩টি, লতা ১৩৩টি, বীরুৎ ৫২২টি ও পরজীবী ৯টি; এ ছাড়া ২টি নগ্নবীজি, ১৩টি মসগোত্রীয়, ৩৫টি ফার্ন ও ৭ প্রজাতির ছত্রাক পাওয়া গেছে। ৭৬৫টি স্থানীয় ও ২৪৪টি বিদেশি প্রজাতি; দ্বিবীজপত্রীতে ফ্যাবেসি আর একবীজপত্রীতে ধান-ঘাসজাতীয় পোয়াসি গোত্রের প্রাধান্য।

ঔষধি উদ্ভিদের মধ্যে আছে কুর্চি, বচ, আপাং, কালমেঘ, হিজল, ছাতিম, আকন্দ, হাতিশুঁড়, সোনালু ও স্বর্ণলতা। বিপন্ন ২৩ প্রজাতির মধ্যে বাটনা, লেইস্যা বা লেকুয়া গর্জন, চাউ তাল, ঈশ্বরমূল, নেরা মিলাতি, পাখা ঢেকিয়া, বনিপদ, মাইল্লা আম, পানিজাম ও চালমুগড়া উল্লেখযোগ্য। ঝুঁকিতে থাকা ১০০ প্রজাতির মধ্যে আছে নীলভুট্টা, তেজবহুল, সিধা জারুল, অশোক, বরুন ও লবঙ্গ লতা।

দূষণের ২৯টি উৎসের মধ্যে পানিদূষণের ১৩টি, বায়ুদূষণের ১০টি, মাটিদূষণের ১১টি, ভারী ধাতুর ৬টি ও প্লাস্টিকদূষণের ৩টি উৎস আছে; একাধিক দূষণ একই উৎস থেকে আসায় যোগফল ২৯-এর বেশি। ইকোর ১৩ সুপারিশের মধ্যে আছে বিপন্ন উদ্ভিদ সংরক্ষণ, ভাঙন রোধে স্থানীয় প্রজাতির গাছ লাগানো, পানির মান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, তীরের কৃষকদের জৈব চাষে উৎসাহ দেওয়া, শিল্পবর্জ্য শোধন, অবৈধ দখল বন্ধ এবং নালার অপরিশোধিত পানি নদীতে ফেলা বন্ধ।

অধ্যাপক ওমর ফারুক বলেন, হালদাকে মূলত মাছের প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র হিসেবেই চেনা হয়, কিন্তু এর দুই পাড়ের উদ্ভিদবৈচিত্র্য নিয়ে আগে পূর্ণাঙ্গ গবেষণা হয়নি। তীরের গাছপালা ভাঙন ঠেকায় আর নদীর পানি ও মাছের পরিবেশ টিকিয়ে রাখে, তাই তীরের কৃষকদের চাষাবাদ আর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, দুটোই হালদার মাছের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

ছবি: Syed Nur Kamal / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪

বাংলা নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

মতামত

পর্যটকের ফেলা প্লাস্টিকে বিপন্ন খাগড়াছড়ির মসংতৈছা ছড়া: মো. বেলায়েত হোসেনের কলাম

কবি ও প্রাবন্ধিক মো. বেলায়েত হোসেন সমকালে লিখেছেন, মাটিরাঙ্গার দুর্গম মসংতৈছায় ভ্রমণকারীদের ফেলে যাওয়া পলিথিন ও প্লাস্টিক ছড়া হয়ে নদীতে যাচ্ছে, যে পানি পাহাড়ের মানুষের খাবার পানির প্রধান উৎস। মতামত লেখকের নিজস্ব।

সমকাল৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

একঝলকে ৩ নভেম্বর: মাঠ, হাওর আর প্রকৃতির ছবি

বান্দরবানে উঠানে শুকানো কফির বিন, ফরিদপুরে মুড়িকাটা পেঁয়াজের পরিচর্যা, নিকলীর হাওরপাড়ে হাঁসের পাল আর পঞ্চগড়ের কুয়াশা: প্রথম আলোর আলোকচিত্রীদের তোলা দিনের মাঠ ও প্রকৃতির ছবি।

প্রথম আলো৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই যুগের খোঁজের পর কুয়াকাটার ঝাউবনে মিলল অতি বিরল ভুজঙ্গ

দেশে ১০ বারেরও কম দেখা যাওয়া পন্থ-পরিযায়ী পাখি ভুজঙ্গ বা কাকঠুঁটো ফিঙের ছবি তুলেছেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাখি ও বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ আ ন ম আমিনুর রহমান; কয়েক দিন ধরে দুটি পাখি মিরপুর জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানেও দেখা যাচ্ছে।

প্রথম আলো৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)