প্রতিবছর ২৫ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বিশ্ব পাস্তা দিবস। ১৯৯৫ সালে ইতালির রোমে প্রথম ওয়ার্ল্ড পাস্তা কংগ্রেসে পাস্তার সাংস্কৃতিক ও পুষ্টিগত গুরুত্ব তুলে ধরার সিদ্ধান্ত হয়, আর ১৯৯৮ সাল থেকে দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হচ্ছে। উদ্দেশ্য, স্বাস্থ্যকর, পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী খাবার হিসেবে পাস্তাকে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া।
ইতালীয় হেঁশেল থেকে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া খাবারের তালিকায় পিজ্জার পরেই আসে পাস্তার নাম। ব্যস্ত জীবনে খুব দ্রুত আর পছন্দমতো উপকরণ মিশিয়ে বানানো যায় বলেই এর জনপ্রিয়তা। পেনে, ফিউসিলি, ফারফালে কিংবা স্প্যাগেটি, নানা আকারের পাস্তা ছোট-বড় সবার কাছেই আকর্ষণীয়।
গম, ওটস বা অন্যান্য শস্য থেকে তৈরি পাস্তা শর্করার ভালো উৎস; শাকসবজি, ডিম, মাংস বা পনিরের সঙ্গে মিলিয়ে রাঁধলে তা হয়ে ওঠে একটি পূর্ণাঙ্গ খাবার।
একসময় বিদেশি খাবার হিসেবে পরিচিত পাস্তা এখন বাঙালির রসনাতেও জায়গা করে নিয়েছে। দেশি মসলা, কাঁচামরিচ, টমেটো, দেশি সবজি আর মুরগির মাংস মিশিয়ে তৈরি 'দেশি টুইস্ট' বা স্পাইসি পাস্তা এখন সব বয়সের মানুষের পছন্দের তালিকায়।
রান্নার তিনটি কৌশল মনে রাখুন। পর্যাপ্ত পানিতে লবণ আর সামান্য তেল দিয়ে সেদ্ধ করুন, তাহলে পাস্তা গায়ে গায়ে লেগে থাকবে না। 'অ্যাল দেন্তে' রাখুন, অর্থাৎ ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ সেদ্ধ হলেই নামিয়ে সসের সঙ্গে রাঁধুন, এতে স্বাদ ও টেক্সচার ঠিক থাকে। আর পাস্তা ছাঁকার পর সেদ্ধ করার পানির কিছুটা তুলে রাখুন; সস বানানোর সময় মেশালে সস হবে মসৃণ।
প্রতিবেদনটি জাগো নিউজ ২৪-এর জন্য লিখেছেন মাহাফুজা শিরিন।
ছবি: ভেনিসের একটি দোকানে বিক্রির জন্য সাজানো পাস্তা, Deror avi / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪




মন্তব্য
(০)