সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৪ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস ১২ কিমি/ঘ

মুগ ডালের পাউডারি মিলডিউ রোগে করণীয়

বাংলাদেশে ভাতের পরেই দ্বিতীয় প্রধান খাবার হিসেবে ডালকে বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে ডাল আমিষের অন্যতম প্রধান জোগানদাতা। তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি মানুষের গড়ে প্রতিদিন ৪৫ গ্রাম করে ডাল খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু আমরা খাচ্ছি মাত্র ১২-১৫ গ্রাম।

বাংলাদেশে ভাতের পরেই দ্বিতীয় প্রধান খাবার হিসেবে ডালকে বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে ডাল আমিষের অন্যতম প্রধান জোগানদাতা। তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি মানুষের গড়ে প্রতিদিন ৪৫ গ্রাম করে ডাল খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু আমরা খাচ্ছি মাত্র ১২-১৫ গ্রাম।

ডাল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি এ ঘাটতি পূরণে সহায়ক। ডালজাতীয় ফসলের মধ্যে মসুর, মুগ, মাসকলাই, ছোলা ও মটরই মূলত প্রধান। পুষ্টির দিক থেকে মুগ ডালকে সেরা বিবেচনা করা হয়। মুগ ডাল চাষে কৃষক একদিকে যেমন পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পারবেন, অন্যদিকে বিক্রি করে আর্থিক ভাবে লাভবান হতে পারবেন।

দুই বা আড়াই মাসে ফসল পাওয়ায় কৃষক সহজেই আমন ধান কাটার পর পতিত জমিতে মুগ ডাল চাষের আওতায় আনতে পারেন। তবে মুগ ডালের পাউডারি মিলডিউ রোগ ক্ষতির কারণ হতে পারে। কেননা এটি ছত্রাকজনিত রোগ। যা গাছের পাতা, কাণ্ড ও ফলের ওপর সাদা পাউডার পদার্থ তৈরি করে। এ রোগের কারণে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। ফলনও কমে যায়।

আরও পড়ুন

লক্ষণ• পাতা, কাণ্ড ও ফল আক্রান্ত হয়।• আক্রান্ত পাতা, কাণ্ড ও ফলে সাদা পাউডারের মতো আবরণ পড়ে।• প্রথমে পাতার ওপরপৃষ্ঠে ছোট ছোট সাদা হালকা পাউডারি দাগ দেখা যায়।• পরে ধূসর সাদা রং ধারণ করে। ধীরে ধীরে এ দাগ সব পাতা, কাণ্ড, ফুল ও ফলে বিস্তার লাভ করে। • আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে হালকা নীল থেকে ধূসর বর্ণের দাগ পরিলক্ষিত হয়।• এ রোগের আক্রমণ বেশি হলে সব গাছ আক্রান্ত হয় এবং মারা যায়। • বীজ, পরিত্যক্ত গাছের অংশ ও বায়ুর মাধ্যমে এ রোগ বিস্তার লাভ করে।

১. আগাম বীজ বপন করা।২. সুষম সার প্রয়োগ করা।৩. পরিমিত সেচ প্রদান।৪. রোগ প্রতিরোধী জাত ব্যবহার করা।৫. আক্রান্ত অংশ সংগ্রহ করে নষ্ট বা পুড়ে ফেলা।

এ রোগ দেখা দিলে প্রতি লিটার পানিতে হাদিয়াভিট (সালফার গ্রুপের) ২ গ্রাম মিশিয়ে ১২-১৫ দিন অন্তর স্প্রে করতে হবে।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

যশোরে খেজুরের গুড়ের মৌসুম শুরু: উৎপাদনের দাম ১১১ কোটি টাকা, তবু গাছির অভাব

জিআই স্বীকৃত যশোরের খেজুরের গুড় ঘিরে নতুন মৌসুমে প্রস্তুতি শুরু। সাড়ে ২২ লাখ গাছের মধ্যে রস মেলে সোয়া তিন লাখের কিছু বেশি থেকে। গাছির সংকট, গাছ নিধন ও কম মজুরিতে পেশাটি ধুঁকছে।

বাংলা নিউজ ২৪৪ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

দেশেই শুরু ভ্যানিলা চাষ, বিশ্ববাজারে কেজি ৩০ হাজার টাকা: বাধা বিনিয়োগ ও প্রক্রিয়াজাত

বগুড়ার মসলা গবেষণা কেন্দ্রে ২০১৯ সালে শুরু হওয়া ভ্যানিলা চাষ এখন কয়েকটি জেলায় ছড়িয়েছে। আবহাওয়া উপযোগী প্রমাণিত হলেও বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়নি, ৫০ শতকে খরচ ২০ থেকে ৫০ লাখ টাকা।

প্রথম আলো৪ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

ভোলায় পাচারের সন্দেহে ২৯০ বস্তা সার আটক, গোডাউন সিলগালা করলেন ইউএনও

ভোলার চর ইলিশায় নদীপথে নেওয়ার সময় ২৯০ বস্তা টিএসপি ও ডিএপি সার আটক করেছেন স্থানীয়রা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সার চরের কৃষকদের জন্য। ইউএনও বলেছেন, বৈধ কাগজ মেলেনি, তদন্ত হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)