ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের চর ইলিশা গ্রামের দারগার খাল এলাকায় মঙ্গলবার একটি ট্রলার ও একটি নসিমন থেকে ২৯০ বস্তা সার আটক করেন স্থানীয়রা। প্রতিটি বস্তায় ৫০ কেজি করে টিএসপি ও ডিএপি সার ছিল। তাঁদের অভিযোগ, ভোলার কৃষকদের বরাদ্দের সার বেশি দামে বিক্রির জন্য নদীপথে মাদারীপুরে নেওয়া হচ্ছিল।
ট্রলারের মাঝি শহীদ পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, রফিক মাঝি ও মন্নান নামের দুজন বিএডিসি ডিলার মেসার্স মিজান ট্রেডার্স থেকে সার কিনেছেন, যা চরের কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা। রফিকও বলেন, চাষের কাজে কিনে চরে পাঠানো হচ্ছিল। তবে দাম পরিশোধের রসিদ তিনি দেখাতে পারেননি।
স্থানীয় কৃষক মাইনুদ্দিন জানান, মাঝির কাছে পাওয়া একটি রসিদে ৮০ বস্তা ডিএপি সারের দাম প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা হিসাবে ৮৪ হাজার টাকা লেখা আছে। তাঁর প্রশ্ন, বাকি ২১০ বস্তা এল কোথা থেকে। কৃষক মাকসুদের অভিযোগ, ডিলাররা কৃষকের নামে ভুয়া ভাউচারে সার তুলে বেশি দামে অন্যত্র পাঠান। ডিলার মিজানকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ডেইলি বাংলাদেশ।
ভোলা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান জানান, ডিলার পয়েন্ট থেকে জানা গেছে সারগুলো ভেলুমিয়া, ভেদুরিয়া ও বরিশালের আলিমাবাদ ইউনিয়নের কৃষকদের জন্য নেওয়া হচ্ছিল, যাঁরা চরে তরমুজ, ক্যাপসিকাম, চিচিঙ্গা ও শসা চাষ করেন বলে দাবি করা হয়েছে। অবৈধভাবে কাগজ তৈরি করে সার তোলা হয়েছে কি না, তা তদন্ত করা হবে।
রাতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার দাশ সারগুলো স্থানীয় একটি গোডাউনে রেখে সেটি সিলগালা করেন। তিনি জানান, তাৎক্ষণিকভাবে বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। যাচাই-বাছাই ও তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ




মন্তব্য
(০)