সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৫°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৯১%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ফুলের চারা বিক্রি করে স্বচ্ছল কুষ্টিয়ার চাষিরা

‘নার্সারি মালিকরা কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাই না। এমনকি কোনো ঋণ সুবিধাও নেই । সব কিছু নিজেদের অর্থায়নে করতে হয়। যা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে ওঠে’

‘নার্সারি মালিকরা কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাই না। এমনকি কোনো ঋণ সুবিধাও নেই । সব কিছু নিজেদের অর্থায়নে করতে হয়। যা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে ওঠে’

ফুলের চারা উৎপাদনে কুষ্টিয়ার বিশেষ সুনাম রয়েছে। শীত বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ফুলের নার্সারিগুলোত চারার বেচাবিক্রি বেড়ে গেছে। কৃষদের ভাষ্য,প্রচলিত ফসলের চেয়ে ফুলের চারা বিক্রি করে বেশি লাভবান হচ্ছেন তারা।

সরেজমিন জেলার বিভিন্ন নার্সারি ঘুরে দেখা যায়, হাইব্রিড জাতের গাঁদা, রক্ত গাঁদা, কুইন সুপার গাঁদা, বারমাসি গাঁদার চারা ১০ টাকা করে পিস বিক্রি করা হচ্ছে। এ ছাড়াও হাইব্রিড জাতের ডালিয়া খুচরা ১৫ টাকা, চন্দ্রমল্লিকা ১৫ টাকা, স্নোবল ২০ টাকা, ক্যালেন্ডুলা ১০ টাকা, জিনিয়া ১০ টাকা, ফ্লোস ২০ টাকা, গ্যাজোনিয়া ১০ টাকা, ডাইনথাজ ১০, রঙ্গমিক্স ১০ টাকা, দোপাটী ১০, স্টার ১০, পাপিয়া ২০, সিলভিয়া ১০, ফায়ার বল ১৩০, অপূর্বিয়া ৮০ টাকা, পানচাটিয়া ১৫০ টাকা, রক্তজবা ৮০ টাকা, রঙ্গন ৮৫ টাকা, চায়না টগর ২০ টাকা, কসমস ১০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।

হাইব্রিড গোলাপের মধ্যে তাজমহল গোলাপ খুচরা ১০০ টাকা, রাণী গোলাপ ১০০ টাকা, বিশ্ব সুন্দরী গোলাপ ১০০ টাকা, ইরানি গোলাপ ২৫ টাকা, কাচা হলুদ, ঘিয়া, সাদা, জরিনা গোলাপ প্রকার ভেদে ১০০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়াও দেশি জাতের গোলাপ ১০ টাকা দরে খুচরা বিক্রি করা হচ্ছে।

মিরপুর উপজেলার লিমন নার্সারির মালিক পারভেজ হাসান জয় বলেন, এইসব ফুলের চারা ও বীজ যশোর গদখালী, ঝুমঝুমপুর, বাসুদেবপুর, বগুড়ার মহাস্থানগড় থেকে সংগ্রহ করা হয়। বছরের অন্য সময় ফুলের চারা তেমন বিক্রি হয় না। তবে শীত মৌসুমে ফুলের চারা বিক্রি হয় বেশি। ফুল চাষের জন্য কৃষি বিভাগ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছি। তবে সেখান থেকে সরকারি ভাবে কোনো সার-বীজ পাইনি। পেলে আরও লাভবান হাওয়া যেত।

মিরপুর জিয়া সড়কে অবস্থিত এসআর গার্ডেন সেন্টারের মালিক এ রহমান জানান, প্রায় চারমাস শীতকালীন ফুলের চারা ব্যাবসা হয়। এ বছর ফুলের চারার বেশ চাহিদা রয়েছে।

নার্সারিটিতে কর্মরত শ্রমিক মো. টুটুল হোসেন জানান, এখানে সারা বছরই কাজ করি। মালিকেরা লাভবান হওয়ায় আমারাও ভালোই আছি।

ফুলের চারা খুচরা বিক্রেতা মো. আমজাদ হোসেন জানান, আমরা নার্সারি থেকে পাইকারি ফুলের চারা সংগ্রহ করে শহর এলাকায় বিক্রি করি। প্রতিদিন চারা বিক্রি করে দুইশ থেকে পাঁচশ টাকা পর্যন্ত লাভ থাকে। এতে আমাদের সংসার ভালই চলে।

জেলা নার্সারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল গণি সান্টু বলেন, নার্সারি মালিকরা কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাই না। এমনকি কোনো ঋণ সুবিধাও নেই । সব কিছু নিজেদের অর্থায়নে করতে হয়। যা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে ওঠে।

কুষ্টিয়া নার্সারি মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম ওয়াসিফ আবির জানান, শীত মৌসুমে জেলায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকার ফুলের চারা ক্রয়-বিক্রয় করা হয়।

কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শ্যামল কুমার বিশ্বাস বলেন, কুষ্টিয়ায় অনেক বেসরকারি নার্সারি রয়েছে। তবে সেগুলো কৃষি বিভাগের আওতার বাইরে। তবে জেলায় একটি সরকারি নার্সারি রয়েছে। কিন্তু সেটি আকারে অনেক ছোট।

ঢাকা ট্রিবিউনসূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা গড়বে পার্টনার প্রকল্প, ৬০ শতাংশই নারী

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পার্টনার প্রকল্পে ৬৪ জেলার ২০৮ উপজেলায় ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির কাজ চলছে; এ পর্যন্ত প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৬,৮৭৫ জন, প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্র কিনতে মিলবে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি।

বাসস১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

বাঁশখালী-আনোয়ারা-পটিয়ায় মাঠে নামার অপেক্ষায় ৮ হাজার লবণচাষি, আমদানিতে দামের শঙ্কা

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ১০ হাজার একর জমিতে লবণ উৎপাদনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আট হাজার চাষি; আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী সপ্তাহেই মাঠে নামবেন তাঁরা, তবে আমদানির সিদ্ধান্তে ন্যায্যমূল্য নিয়ে দুশ্চিন্তা।

আমার দেশ১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

ঠাকুরগাঁওয়ের হিমাগারে ৩২২ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ, মৌসুমের বাইরে যাবে জাতীয় গ্রিডে

ঠাকুরগাঁও সদরের লক্ষী কোল্ডস্টোরেজে নিজস্ব অর্থায়নে এক কোটি ২৫ লাখ টাকায় ৩২২ কিলোওয়াটের সৌর প্যানেল বসানো হয়েছে; এতে হিমাগারের নিজের বিদ্যুতের চাহিদা মিটবে, আর মৌসুমের বাইরে উৎপাদিত বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে।

জাগো নিউজ ২৪১০ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)