শাকসবজিপেঁয়াজের দামে ধস, বিপাকে কৃষক
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এবারও কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না পেঁয়াজ চাষিরা। বিশেষ করে রাজশাহী ও পাবনায় বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় পেঁয়াজের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে।
শাকসবজিদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এবারও কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না পেঁয়াজ চাষিরা। বিশেষ করে রাজশাহী ও পাবনায় বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় পেঁয়াজের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে।
মিষ্টি আলু আবাদে সফলতার মুখ দেখছেন খুলনার ডুমুরিয়ার চাষিরা। এবছর ডুমুরিয়া উপজেলায় কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রথম বারের মত এক হেক্টর জমিতে মিষ্টি আলুর আবাদ হয়েছে।&nbs
এগ্রোবিজবাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। তাই এ দেশে মাছচাষির সংখ্যা কম নয়। দেশের অর্থনীতির বড় একটি অংশ আসে মাছ চাষ থেকে। এ জন্য মাছচাষিদের অনেক কিছুই জানতে হয়। আসুন জেনে নেই জ্যৈষ্ঠ মাসে মাছচাষিদ
কৃষি বিজ্ঞানীরা জানান, একবিঘা জমিতে যেখানে পাঁচ থেকে ছয় মণ পেঁয়াজের বাল্ব বা কন্দ লাগে সেখানে কৃষক যদি পেঁয়াজের বীজ পান তাহলে তারা এককেজি বীজে পাঁচ থেকে ছয় হেক্টর জমিতে পে
এগ্রোবিজনওগাঁর পোরশায় উন্নত জাতের কাশ্মীরি ও বলসুন্দরী বরই চাষ করে সফলতা পেয়েছেন চাষিরা। ভালো ফলন ও দাম পেয়ে খুশি তারা। জেলায় প্রথম কাশ্মীরি ও বলসুন্দরী বরইয়ের সফল চাষ হওয়ায় অনেকেই
এগ্রোবিজঝিনাইদহের মহেশপুরে পাবদা মাছ চাষ করে সফল হয়েছেন ১৫ জন। গতবছর ৫ কোটি টাকারও বেশি পাবদা মাছ ভারতে রফতানি করা হয়েছে। এ বছর ৮ কোটি টাকারও বেশি মাছ ভারতে রফতানি করা সম্ভব বলে মনে করেন
গাজীপুরের শ্রীপুর ও কাপাসিয়া উপজেলার বুক চিরে বহমান শীতলক্ষ্যার তীরে জেগে উঠা চরে স্ট্রবেরির ব্যাপক ফলন হয়েছে। শীতপ্রধান দেশের ফল হিসেবে স্ট্রবেরির প্রচলন থাকলেও প্রান্তিক কৃষকের
এগ্রোবিজচলতি মাসে যশোরের শার্শা উপজেলায় বেগুন চাষিরা ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন। উৎপাদন বেশি হলেও বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় চরম হতাশায় পড়েছেন তারা। এছাড়া চলতি মৌসুমে বেগুনে পো
সৌরশক্তি ব্যবহার করায় বিদ্যুৎ বা ডিজেলের ব্যবহারও নেই এবং পলি হাউজে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা ও পানি সরবরাহের কারণে অপচয়ও নেই। পোকামাকড়ের আক্রমণ না থাকায় কীটনাশকের ব্যবহারও তেমন এক
শ্রমিকের মজুরি, বীজ, সার, ওষুধ ও জমির লগ্নিসহ সব মিলিয়ে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তিনি এরইমধ্যে ৭ লাখ টাকার সবজি বিক্রি করেছেন। আরও ৫ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছে
অধিকাংশ খেতের আলু গাছ শুকিয়ে যাচ্ছে ও গোড়ায় পচন দেখা দিয়েছে। এতে চাষিরা মারাত্মক ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন
‘নার্সারি মালিকরা কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাই না। এমনকি কোনো ঋণ সুবিধাও নেই । সব কিছু নিজেদের অর্থায়নে করতে হয়। যা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে ওঠে’