সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আগাম খিরা তুলে আড়তে বিক্রি শুরু করেছেন চাষিরা। ভালো ফলন আর চড়া দামে তাঁরা খুশি। উপজেলায় এ মৌসুমে ৩৬০ হেক্টর জমিতে খিরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা, এর মধ্যে ২২৫ হেক্টরে বোনা শেষ; অনেক মাঠে এখনো বীজ বোনা চলছে।
কয়ড়া, রতনদিয়া, চাকশা, হরিশপুর ও চরপাড়ার মাঠে চাষিরা আগাছা পরিষ্কার, সার ও কীটনাশক দেওয়ায় ব্যস্ত। অনেক জমি খিরার লতায় ঢেকে গেছে, ফুল-ফল ধরেছে; কিছু জমিতে সবে ফুল এসেছে, সপ্তাহখানেকের মধ্যে সেখান থেকেও খিরা তোলা যাবে।
খিরা বেচাকেনা ঘিরে উপজেলায় গড়ে উঠেছে চরবদ্ধনগাছা ও চাকশার দুটি বড় আড়ত, যেখানে মৌসুমজুড়ে দেশের নানা প্রান্তের পাইকার আসেন। বদ্ধনগাছা আড়তে এখন আগাম খিরা মণপ্রতি ১,২০০ থেকে ১,২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; আগাম হওয়ায় আমদানি এখনো কম।
চরপাড়া গ্রামের কৃষক কাওসার আহমেদ প্রায় আড়াই বিঘায় খিরা করেছেন, দেড় বিঘায় দেশি আর এক বিঘায় হাইব্রিড। ফলন ভালো হয়েছে, আর তিনি মণপ্রতি ১,২০০ টাকা দরে বিক্রি শুরু করেছেন।
ব্যবসায়ী আলিফ হোসেন ও আলেক মিয়া জানান, গত পাঁচ দিন ধরে কৃষকেরা আড়তে খিরা আনছেন, আর তাঁরা কিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠাচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমী বলেন, এলাকায় হাইব্রিড, আদুরী, ময়নামতি ও সুফলসহ নানা জাতের খিরা চাষ হচ্ছে, আর ভালো দাম পেয়ে কৃষকেরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। প্রতিবেদনটি কৃষি সময়ের উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতার।
ছবি: Stephen Ausmus, USDA ARS / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)