যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) কৃষি গবেষণা সার্ভিস (এআরএস) ২৭ অক্টোবর অ্যারিজোনার টুসানে সাউথওয়েস্ট ওয়াটারশেড রিসার্চ সেন্টার চালু করেছে। আধা-শুষ্ক মার্কিন দক্ষিণ-পশ্চিমে পানি, উদ্ভিদ ও মাটি নিয়ে গবেষণার নতুন ঠিকানা এটি।
১৫,৬৫০ বর্গফুটের ভবনে আছে গবেষণাগার, যৌথ কাজের জায়গা এবং এআরএস ও ইউনিভার্সিটি অব অ্যারিজোনার গবেষকদের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো। শুষ্ক অঞ্চলে আবহাওয়ার ধরন, পানির চলাচল ও মাটির ক্ষয় বুঝে কৃষকদের জমি ও পানি ব্যবস্থাপনার কৌশল তৈরি করাই তাঁদের কাজ।
কেন্দ্রটি ওয়ালনাট গালচ পরীক্ষামূলক জলাধার এলাকা এবং সান্তা রিটা পরীক্ষামূলক চারণভূমিতে মাঠ গবেষণায় সহায়তা দেবে। এখানকার বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম বৃষ্টি তৈরির যন্ত্র বানিয়েছেন, খরা নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন এবং ড্রোনসহ দূর অনুধাবন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন। এ দিয়ে তাঁরা পানির প্রবাহ ও মাটির ক্ষয় মাপেন, কম পানিতে গাছ কেমন সাড়া দেয় তা দেখেন এবং ভূমির ওপর দিয়ে পানি কীভাবে চলে তা বোঝেন।
মার্কিন কৃষিমন্ত্রী ব্রুক এল. রলিন্স (Brooke L. Rollins) বলেন, কৃষক ও খামারিদের এমন বাস্তব সমাধান দরকার, যাতে তাঁরা বেশি উৎপাদন করতে পারেন এবং প্রতিটি ফোঁটা পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারেন। এআরএসের প্রশাসক জুন পার্ক (Joon Park) জানান, টুসানের বিজ্ঞানীরা দক্ষিণ-পশ্চিমের উৎপাদকদের পানি বাঁচাতে, মাটি রক্ষা করতে ও জমি উৎপাদনক্ষম রাখতে সহায়তা করছেন।
এ গবেষণার ইতিহাস দীর্ঘ। মাটির ক্ষয় মোকাবিলায় ১৯৫১ সালে গঠিত হয় সাউথওয়েস্ট ওয়াটারশেড স্টাডিজ গ্রুপ। ১৯৫৩ সালে গবেষকেরা ওয়ালনাট গালচকে উন্মুক্ত গবেষণাগার হিসেবে বেছে নেন। ইউএসডিএর ভাষায়, দীর্ঘমেয়াদি আধা-শুষ্ক পরীক্ষামূলক জলাধার এলাকা হিসেবে ওয়ালনাট গালচই এখন বিশ্বে সবচেয়ে বেশি যন্ত্রপাতিতে সজ্জিত।
ইউএসডিএর গবেষণা, শিক্ষা ও অর্থনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি ড. স্কট হাচিন্স (Scott Hutchins) বলেন, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারকে কৃষকের মুনাফা বাড়ানোর কাজের কৌশলে রূপ দিতে এই কেন্দ্র সহায়তা করবে।
ছবি: $1LENCE D00600D / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: ইউএসডিএ




মন্তব্য
(০)