খামার ঘোরা, পাহাড়-বনে হাঁটা কিংবা স্থানীয় খাবার, ছুটির এমন সাধারণ কাজেই ভ্রমণকারী আফ্রিকান সোয়াইন ফিভারের (এএসএফ) সংস্পর্শে আসতে পারেন। ২ নভেম্বর মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ) এমন পাঁচটি কাজের কথা বলে সতর্ক করেছে, যেগুলোর মাধ্যমে ভাইরাসটি যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকে পড়তে পারে।
এএসএফ বন্য ও পোষা শূকরের অত্যন্ত ছোঁয়াচে ও প্রাণঘাতী রোগ, তবে মানুষের হয় না। কিন্তু দূষিত কাপড়, জুতা বা শূকরের মাংসজাত পণ্যের সঙ্গে ভ্রমণকারী না জেনেই ভাইরাস বয়ে আনতে পারেন, তাই কিছু সাবধানতার কথা বলছে বিভাগটি।
প্রথম দুটি ঝুঁকি খামারে যাওয়া আর শূকরের আশপাশে থাকা: পশু না ছুঁলেও মাটি, গোবর ও অন্যান্য ময়লা জুতা, কাপড় আর সরঞ্জামে লেগে যেতে পারে। ইউএসডিএর পরামর্শ, স্থানীয় জৈব নিরাপত্তার নিয়ম মানুন, আর ব্যাগ গোছানোর আগে এসব জিনিস হয় ফেলে দিন, নয়তো ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করুন। বন-পার্কে ছাড়া থাকা ও বুনো শূকরও থাকে, তাই বাইরে ঘোরার পর বুট ও সরঞ্জামের কাদা পরিষ্কার করতে হবে; খামারভিত্তিক পর্যটনে শূকর বা অন্য পশুর কাছে পরা কাপড় ধুয়ে নিতে হবে।
চতুর্থ বিষয় খাবার। স্থানীয় খাবার খাওয়া যাবে, কিন্তু শূকরের মাংসজাত কিছু বাড়িতে আনা যাবে না, কারণ রান্না করা ও কাঁচা অনেক পণ্যেই ভাইরাসটি টিকে থাকে।
পঞ্চম পরামর্শ: যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড, পুয়ের্তো রিকো বা মার্কিন ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছে সব ধরনের মাংস ও প্রাণিজ পণ্য, বন্যপ্রাণীজাত পণ্যসহ, কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশনের কাছে ঘোষণা করতে হবে এবং খামারে গেলে বা পশুর কাছে থাকলে তা জানাতে হবে। শূকরের কাছাকাছি থাকলে দেশে ফিরে অন্তত পাঁচ দিন কোনো শূকর খামারে যাওয়া চলবে না।
সূত্র: ইউএসডিএ





মন্তব্য
(০)