প্রাণিরোগের নজরদারি, আগাম সতর্কতা ও প্রস্তুতি জোরদারে ভারতে একটি জাতীয় প্রাণিরোগ তথ্যকেন্দ্র (ন্যাশনাল লাইভস্টক ডিজিজ ইন্টেলিজেন্স হাব) গড়া উচিত বলে মনে করেন ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদের (আইসিএআর) মহাপরিচালক ড. এম এল জাট (M. L. Jat)। বেঙ্গালুরুর আইসিএআর-জাতীয় ভেটেরিনারি এপিডেমিওলজি ও রোগতথ্য প্রতিষ্ঠানে (নিভেদি) প্রথম সফরে তিনি এ কথা বলেন বলে জানিয়েছে আইসিএআর।
জাট সেখানে ইনলিড কর্মসূচির আওতায় একটি প্রাণিরোগ প্রশিক্ষণ ল্যাবরেটরির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এখানে ভেটেরিনারি মহামারিবিদ্যা, রোগতথ্য বিশ্লেষণ, মডেলিং আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও মেশিন লার্নিং দিয়ে তথ্যকে কাজের রোগ-সতর্কতায় রূপ দেওয়ার প্রশিক্ষণ হবে। প্রস্তাবিত কেন্দ্রের অবকাঠামো ও বৈজ্ঞানিক সক্ষমতায় আইসিএআরের সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।
নিভেদির পরিচালক ড. বলদেব আর গুলাটি জানান, ভারত থেকে রিন্ডারপেস্ট নির্মূলে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা ছিল, আর এখনো নজরদারি, নমুনা সংগ্রহ ও রক্তপরীক্ষার মাধ্যমে খুরারোগ, পিপিআর, ক্লাসিক্যাল সোয়াইন ফিভার ও ব্রুসেলোসিস নিয়ন্ত্রণের জাতীয় কর্মসূচিতে সহায়তা দিচ্ছে। তিনি ন্যাশনাল অ্যানিমেল ডিজিজ রেফারেল এক্সপার্ট সিস্টেম (নাড্রেস) তুলে ধরেন, যা জেলা পর্যায়ে ১৫টি প্রাণিরোগের ঝুঁকি দুই মাস আগে পূর্বাভাস দেয়।
জাট পূর্বাভাসগুলো কঠোরভাবে যাচাই করা এবং অগ্রাধিকারের রোগ আগে ধরতে প্রতিটি রাজ্যে নজরদারি কেন্দ্র (সেন্টিনেল সাইট) স্থাপনের কথা বলেন। পশুর স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও রোগঝুঁকির সম্পর্ক বুঝতে এনআইএএনপি ও এনডিআরআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিলে উৎপাদন ও পুষ্টির তথ্য রোগ নজরদারির সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাবও দেন তিনি।
সফরে তিনি প্রতিষ্ঠানটির বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউওএএইচ) পিপিআর রেফারেন্স ল্যাবরেটরি, রোগতথ্য ইউনিট ও নাভিক কৃষিব্যবসা ইনকিউবেশন কেন্দ্র ঘুরে দেখেন।
ছবি: Aruna at Malayalam Wikipedia / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: আইসিএআর





মন্তব্য
(০)