সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস কিমি/ঘ

হাওরে ফাঁদের কবলে পরিযায়ী পাখিরা

মৌলভীবাজার জেলার হাওরগুলোতে প্রকাশ্যে জাল দিয়ে ফাঁদ পেতে ও বিষটোপ দিয়ে পরিযায়ী পাখি শিকার হচ্ছে। শিকার বন্ধে বনবিভাগ ও প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ নেই বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা।

পরিবেশ

মৌলভীবাজার জেলার হাওরগুলোতে প্রকাশ্যে জাল দিয়ে ফাঁদ পেতে ও বিষটোপ দিয়ে পরিযায়ী পাখি শিকার হচ্ছে। শিকার বন্ধে বনবিভাগ ও প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ নেই বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা।

জেলার উত্তর পশ্চিম অংশে অবস্থিত হাওর কাউয়া দীঘিতে গিয়ে দেখা যায়, গিরিম, মাজের বান, কুবজারি বন, কইলতা, মিটিপুরসহ হাওরের বিভিন্ন এলাকায় শিকারিরা বাঁশের খুঁটি পুঁতে জাল দিয়ে ফাঁদ পেতে প্রকাশ্যে পরিযায়ী পাখি শিকার করছে।

জানা গেছে, শিকারিরা দিনে জাল দিয়ে ফাঁদ পেতে রাখে। রাতে খাবারের সন্ধানে আসা পরিযায়ী পাখিরা এই ফাঁদে আটকা পড়ে। পরে সকালে শিকারিরা পাখিগুলো স্থানীয় পাইকারের কাছে বিক্রি করে। এর ফলে হাওরগুলোতে দিনে দিনে কমছে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা।

শুধু জাল দিয়ে ফাঁদ পেতে নয়, বিভিন্ন জায়গায় বিষটোপ দিয়েও পাখি শিকার করা হচ্ছে। হাওর কাউয়াদিঘি ছাড়াও জেলায় আবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি, হাইল-হাওর, বাইক্কা বিলে ছুটে আসা পরিযায়ী পাখিগুলোকে শিকার করা হচ্ছে। সাইবেরিয়া, চীনসহ এশিয়ার অন্যান্য দেশ থেকে পরিযায়ী পাখি শীতের শুরুতে একটু উষ্ণতার জন্য ছুটে আসে নিরাপদ আশ্রয়ে ও খাবারের সন্ধানে। এলাকার আশপাশের গ্রাম, হাওর-বাওড়, বিল ঝিল ও ডোবাগুলো এ সময় পরিযায়ী পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে। কিন্তু শিকারিদের অত্যাচারে পাখিরা নির্বিঘ্নে খাবার সংগ্রহে নামতে পারছে না।

দেশের যে কয়টি স্থানে পরিযায়ী পাখির সমাগম ঘটে তার মধ্যে হাকালুকি হাওর, কাউয়া দীঘি, বাইক্কা বিল অন্যতম। পরিযায়ী পাখিরা প্রতিবছর পুরো শীত মৌসুম হাওরে বিচরণ করে আবার গরমের শুরুতেই তারা ফিরে যায় স্ব-স্ব আবাসস্থলে।

হাওরপারের ইসলামপুর গ্রামের সফিকুলের সঙ্গে কথা হলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, শিকারিরা দিনের বেলা জাল দিয়ে ফাঁদ পেতে রাখে। রাতের বেলা পাখিরা খাবারের সন্ধানে দল বেঁধে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে উড়ে যাওয়ার সময় একেকটি জালে ১০ থেকে ১৫টি আটকা পড়ে। এ ছাড়া বিলের পানিতে কারেন্ট জাল পেতেও পাখি শিকার করা হয়। তাদেরকে পাখি শিকার না করার কথা বললে তারা উল্টো আমাদেরকে ধমক দেয়।

হাওর এলাকার কাশিম পুরের আনসার আলী জাগো নিউজকে বলেন, এক হালি পাখি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। পাখিদের মধ্যে সরালি, লেনজাসহ কিছু অচেনা পাখি রয়েছে।

বায়োডাইভারসিটি কনজারভেশন গ্রুপ মৌলভীবাজারের আহ্বায়ক হাসানাত কামাল জাগো নিউজকে বলেন, পাখি শিকার বন্ধে বন প্রশাসনিক পদক্ষেপ খুবই জরুরি। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে। অবাধে পাখি শিকারের কারণে জীববৈচিত্র ও পরিবেশ হুমকির মুখে পড়ছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বন বিভাগের তৎপরতা আমাদের আশান্বিত করে।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আমার কাছে কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। তবে যেসব এলাকায় পাখি শিকার হচ্ছে, খোঁজ নিয়ে সেখানে অভিযান চালানো হবে।

আব্দুল আজিজ/এফএ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

রোমে এফএওর ওয়ান হেলথ সম্মেলনে পরিবেশমন্ত্রী: পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্য আলাদা নয়

এফএও সদর দপ্তরে ২১-২৩ সেপ্টেম্বরের ‘কৃষিখাদ্য ব্যবস্থায় ওয়ান হেলথ কার্যক্রম’ বৈশ্বিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, গঙ্গা বদ্বীপে মানুষ, বাস্তুতন্ত্র ও কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে যুক্ত; বাংলাদেশের জাতীয় ওয়ান হেলথ কাঠামোয় পরিবেশ খাতকে মূল অংশীজন করা হয়েছে এবং রোমের অভি

চ্যানেল আই অনলাইন২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আবাদি জমির মাত্র ১২ শতাংশে বিশ্বের অর্ধেক ক্ষুদ্র কৃষকই ২০৫০-এ বাড়তি ১৫০ কোটি মানুষের খাদ্য জোগাতে পারেন: নতুন বই

‘হোল আর্থ ফার্মিং’ বইয়ে হাইতির স্মলহোল্ডার ফার্মার্স অ্যালায়েন্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা হিউ লক (Hugh Locke) যুক্তি দিয়েছেন, গ্লোবাল সাউথের ৪৭ কোটি ৫০ লাখ ক্ষুদ্র খামারের প্রায় ২৪ কোটিকে পুনরুৎপাদনশীল কৃষি ও কৃষিবনায়নে নিলে ২০৫০ সালের বাড়তি খাদ্যচাহিদার পুরোটা মেটানো যাবে, মাটি ফিরবে, আর বছরে ০.৭২ গিগ

ডাউন টু আর্থ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

রেকর্ড শক্তিশালী এল নিনো আসছে, তবু অস্ট্রেলিয়ায় খরা অনিবার্য নয়: আবহাওয়া ব্যুরো

মডেল বলছে চলতি এল নিনো ১৯৮২–৮৩-কে ছাড়িয়ে যেতে পারে, মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের ৩ ডিগ্রির বেশি ওপরে উঠতে পারে; কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ব্যুরো অব মিটিওরোলজির ব্যাখ্যা, আপাতত নিরপেক্ষ ভারত মহাসাগর দ্বিমেরু, উষ্ণ সাগর ও দীর্ঘমেয়াদি উষ্ণায়নও বসন্ত-গ্রীষ্ম গড়ে দেবে; জলাধা

Beef Central২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()