সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

রোপা আমন চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা

ভোলায় প্রথমবারের মতো সমলয় পদ্ধতিতে শুরু হয়েছে রোপা আমন ধানের চাষাবাদ। নতুন এ পদ্ধতিতে বীজতলা থেকে শুরু করে রোপণ পর্যন্ত খুব কম খরচ হওয়ায় ব্যাপক লাভের স্বপ্ন দেখছেন ভোলার কৃষকেরা। কৃষকদের দাবি, এ বছর নতুন পদ্ধতিতে আশানুরূপ ফসল ও বেশি লাভ হলে আগামীতে আমন চাষের বিপ্লব ঘটবে জেলায়। তবে এ ব্যাপারে কৃষি বি

ভোলায় প্রথমবারের মতো সমলয় পদ্ধতিতে শুরু হয়েছে রোপা আমন ধানের চাষাবাদ। নতুন এ পদ্ধতিতে বীজতলা থেকে শুরু করে রোপণ পর্যন্ত খুব কম খরচ হওয়ায় ব্যাপক লাভের স্বপ্ন দেখছেন ভোলার কৃষকেরা। কৃষকদের দাবি, এ বছর নতুন পদ্ধতিতে আশানুরূপ ফসল ও বেশি লাভ হলে আগামীতে আমন চাষের বিপ্লব ঘটবে জেলায়। তবে এ ব্যাপারে কৃষি বিভাগের সহযোগিতার আশা করছেন তারা।

সরেজমিনে জানা গেছে, ভোলার দৌলতখান উপজেলার চর খলিফা ইউনিয়নের কলাকোপা গ্রামে শুরু হয়েছে সমলয় পদ্ধতিতে রোপা আমন চাষাবাদ। উপজেলায় এটাই প্রথমবারের মতো নতুন পদ্ধতিতে চাষাবাদ হচ্ছে। জমিতে প্ল্যাস্টিক ট্রেতে মাটি, জৈব সার মিশিয়ে বপন করা হয় আমনের বীজ। মাত্র ১৫-১৭ দিনের মধ্যে ধানের চারা রোপণের উপযুক্ত হয়। এরপর জমি থেকে প্ল্যাস্টিকের ট্রেসহ চারা রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনে দেওয়া হয়। শ্রমিক ছাড়াই কম সময়ের মধ্যে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনের মাধ্যমে জমিতে রোপণ করা হয়।

আরও পড়ুন: কালো ধানে বেশি ফলনের আশা কৃষক আলামিনের

কলাকোপা গ্রামের কৃষক মো. শাজাহান ও মো. আলাউদ্দিন জানান, তারা আগে সনাতন পদ্ধতিতে রোপা আমনের চাষ করতেন। এবারই প্রথমবারের মতো সমলয় পদ্ধতিতে রোপা আমন চাষ শুরু করেছেন। সনাতন পদ্ধতিতে বীজতলা থেকে শুরু করে ধান কাটা পর্যন্ত একর প্রতি খরচ হতো প্রায় ৪৫-৫০ হাজার টাকা। এখন নতুন পদ্ধতিতে খরচ হবে মাত্র ২০-২৫ হাজার টাকা।

কৃষক মো. দেলোয়ার হোসেন ও আবু তাহের কুট্টি বলেন, 'আমরা আগে সনাতন পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি করলে রোপণের উপযুক্ত হতে ২৫-৩০ দিন লাগতো। এখন সমলয় পদ্ধতিতে সময় লাগে ১৫-১৭ দিন। আগের পদ্ধতিতে শ্রমিক দিয়ে কাজ করাতে হতো। তখন শ্রমিকের ব্যাপক সংকট ছিল। সময়মতো শ্রমিক না পাওয়ায় রোপণও সময়মতো করতে পারতাম না। এখন এ পদ্ধতিতে শ্রমিক ছাড়াই রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনের মাধ্যমে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ধানের চারা রোপণ হয়ে যাচ্ছে।'

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে 'ব্ল্যাক রাইস' চাষে সফল কলেজছাত্র নাহিদ

কৃষক মো. নুরুল ইসলাম, মো. সিরাজুল ইসলাম ও মো. জুয়েল রানা বলেন, 'আগে আমন চাষ করতে গিয়ে ব্যাপক খরচ হতো। ধানের বাজার বেশি হলে মোটামুটি লাভ পেতাম। এবার মেশিনে চাষ করার কারণে খরচও কম। তাই ধানের বাজার কম হলেও ভালো লাভবান হবো। আমরা এবার ২-৩ একর জমিতে সমলয় পদ্ধতিতে আমন চাষ করেছি। ফলন ও লাভ ভালো হলে আগামী বছর ৫-১০ একর জমিতে চাষ করবো।'

দৌলতখান উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা হুমায়রা সিদ্দিকা জানান, দৌলতখান উপজেলায় এবার প্রথম সমলয় পদ্ধতিতে রোপা আমন চাষ হয়েছে ৫০ একর। এরমধ্যে পুরোটাই কলাকোপা গ্রামে ৭৩ জন কৃষক করেছেন। নতুন এ পদ্ধতি কৃষকদের মাঝে জনপ্রিয় করতে পারলে কৃষি খাতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ রাখবে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সমলয় হবে অন্যতম মাধ্যম।'

জুয়েল সাহা বিকাশ/এসইউ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

সংকট নেই বলছে মন্ত্রণালয়, তবু বস্তা ১৭০০ টাকা: সার নিয়ে সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকের রিপোর্টে সদস্যরা বলেছেন, পর্যাপ্ত মজুতের পরও বিতরণের দুর্বলতা, কালোবাজারি ও পাচারে কৃষক ভুগছেন; নজরদারি ও ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতার সুপারিশ এসেছে।

ঢাকা পোস্ট৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

চলনবিলে কচুরিপানা মারতে আগাছানাশক, হুমকিতে মাছ-পাখি; কৃষি বিভাগ বলছে সার বানান

সিংড়াসহ চলনবিলের ৫-৬ হাজার হেক্টর জমিতে কচুরিপানায় রবি চাষ অনিশ্চিত; বিঘায় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ এড়াতে কৃষকদের একাংশ আগাছানাশক দিচ্ছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জলজ প্রাণী।

কৃষি সময়৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

ছবির গল্প: সিলেটের পাহাড়ের কোলে পাকছে আমন, দুয়ারে নবান্ন

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে সীমান্তঘেঁষা পাহাড়ের পাদদেশে আমন ধান পাকতে শুরু করেছে, কোথাও শুরু হয়েছে কাটা; প্রথম আলোর আলোকচিত্রী আনিস মাহমুদের ছবিতে হেমন্তের মাঠ ও নবান্নের প্রস্তুতি।

প্রথম আলো৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)