সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭১%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

জমে উঠেছে বৃক্ষমেলা, ১৫ কোটি টাকার চারা বিক্রি

প্রতিবছরের মতো রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলা-২০২৩। এবারের বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য 'গাছ লাগিয়ে যত্ন করি, সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি'। মেলায় প্রাকৃতিক আবহে সবকিছু সাজানো হয়েছে। যেন এক নতুন বিনোদনকেন্দ্রে রূপ নিয়েছে মেলা প্রাঙ্গণ। নানা শ্রেণিপেশার মা

প্রতিবছরের মতো রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলা-২০২৩। এবারের বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য 'গাছ লাগিয়ে যত্ন করি, সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি'। মেলায় প্রাকৃতিক আবহে সবকিছু সাজানো হয়েছে। যেন এক নতুন বিনোদনকেন্দ্রে রূপ নিয়েছে মেলা প্রাঙ্গণ। নানা শ্রেণিপেশার মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে জাতীয় বৃক্ষমেলা।

প্রথম পর্বে ৫ জুন থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত চলে এ বৃক্ষমেলা। ঈদুল আজহার পর দ্বিতীয় ধাপে ১ জুলাই শুরু হওয়া বৃক্ষমেলার আয়োজন শেষ হবে ১২ জুলাই।

মেলা শুরুর প্রথম দিন ৫ জুন থেকে গত ৮ জুলাই পর্যন্ত মোট ২০ লাখ ৫৯ হাজার ৭৪৫টি বিভিন্ন জাতের গাছের চারা বিক্রি হয়েছে। যার মূল্য ১৪ কোটি ৬৯ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩ টাকা। এরমধ্যে ঘর সাজানোর গাছ ও ছাদ বাগানের গাছের চাহিদা বেশি। তুলনামূলক অর্কিড ও ক্যাকটাসের চারার দাম চড়া, তবে আম গাছের চারা মিলছে কম দামে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে মেলা প্রাঙ্গণ।

আরও পড়ুন: বৃষ্টিতে জাতীয় বৃক্ষমেলায় বেড়েছে বেচাকেনা

রাজধানীর মিরপুর শেওড়াপাড়া থেকে জাতীয় বৃক্ষমেলায় এসেছেন সামিউল শাহীন, সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ও শিশুকন্যা। পড়ন্ত বিকেলে পরিবার নিয়ে মেলায় ঘুরার পাশাপাশি তিনি পছন্দের কিছু গাছও কিনবেন। সামিউলের স্ত্রী নুসরাত শাহীন জাগো নিউজকে বলেন, আমরা বাড়ির ছাদ বাগান সাজানোর জন্য নানা ধরনের ফলজ গাছ কিনবো। বিশেষত আম ও আমলকি। এছাড়া ঘর সাজানোর জন্য বনসাই জাতীয় কিছু গাছ কিনবো।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বৃক্ষমেলার বিভিন্ন স্টলে সারি সারি সাজানো রয়েছে বনজ, ফলজ, সবজি, ওষুধিসহ দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির চারা গাছ। বিক্রি হচ্ছে চেনা-অচেনা ফুল ও ফলের গাছও। এছাড়াও রয়েছে বনসাই ও ক্যাকটাসের মতো গাছ। নানা বয়সের বৃক্ষপ্রেমীরা প্রতিদিন মেলায় আসছেন, বিভিন্ন স্টল ঘুরে কিনছেন পছন্দের গাছ। ৫০ টাকার আম গাছের চারা থেকে শুরু করে ১০ লাখ টাকার বনসাই জাতীয় গাছের চারাও বিক্রি হচ্ছে এবারের বৃক্ষমেলায়।

'লিভিং আর্ট বনসাই' স্টলে গিয়ে দেখা যায়, নানা জাতের বনসাই গাছ দেখতে ভিড় করছেন ক্রেতা-দর্শনার্থীরা৷ সেখানে একটি আম গাছের বনসাই নিয়ে সবার আগ্রহ৷ ১৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যের বনসাই গাছ আনা হয়েছে মেলায়। তেরো লাখ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা আম বনসাইটির বয়স ৪০ বছর ৷ তবে ক্রেতাদের মাঝে সর্বোচ্চ আট লাখ টাকা দাম বলেছেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও মেলায় দেশি বটের বনসাই তিন লাখ টাকা, সুন্দরী ও তেঁতুলের বনসাই দেড় লাখ ও এক লাখ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। আরও রয়েছে আফ্রিকান বাউবাব, হিজল, তমালসহ বেশ কিছু জাতের বনসাই৷

মেলা ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন স্টলে সারি সারি সাজানো বনজ, ফলজ, সবজি ও ওষুধি দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির গাছ। পাওয়া যাচ্ছে চেনা-অচেনা নানা প্রজাতির ফুল ও ফলের গাছও। এরমধ্যে আছে- জবা ফুল, ম্যান্ডেভিলা ফুল, হাসনাহেনা, পলাশ, কনকচাঁপা, বাসন্তি, মালতী, নয়নতারা, আম, আতা, কুল, বড়ই, ডালিম, করমচা, বেল, জাম্বুরা, কাঁঠাল, লাল কাঁঠাল, চাম কাঁঠাল, ডুমুর, কাজু বাদাম, ডুরিয়ান, অলিভ, কাউ, পিচ, কিউই ফল, অ্যাভোকেডো, আলমন্ডা, ড্রাসিনা, চেরী ফল, পার্সিমন ফল, ড্রাগন, ট্যাং ফল, অ্যাপ্রিকট ফল, আদা জামির, স্ট্রবেরি পেয়ারা, বিলাতি গাব, রাম্বুটান, জয়ফল, সাদা নাশপাতি, রাবাবা, মাল বেরি, লোকাট ফল, এবিউ ফল কালোজাম, সাতকরা, সফেদা, কদবেল, আঁশফল, ঘৃতকুমারী, লটকনসহ নাম জানা-অজানা হাজারো ফুল ও ফলের দেশি-বিদেশি গাছ। পাওয়া যাচ্ছে বিরল প্রজাতির গাছ নাগলিঙ্গম।

মেলায় ঘুরতে আসা কলেজ শিক্ষার্থী মিনহাজ আবেদীন বলেন, ইট-পাথরের শহরে ছাদ বাগান করতে অনেক ভালো লাগে। আমার ছাদ বাগানের জন্য নতুন কিছু গাছ নিতে এসেছি। এখানে বাহারি জাতের ফুল ও ফল গাছ দেখছি৷ একেবারে ভিন্ন রকমের কোনো গাছ নিয়ে যাবো।

গত দুই বছর বন্ধ থাকার পর এবারের বৃক্ষমেলায় ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ভালো সাড়া মিলছে বলে জানিয়েছেন স্টল মালিক ও বিক্রেতারা।

বন অধিদপ্তরের সহকারী বন সংরক্ষক ব্রজগোপাল রাজবংশী জাগো নিউজকে বলেন, আমরা প্রায় ২১ লাখ চারা বিক্রি করেছি। যার মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা। পরিবেশসম্মতভাবে বৃক্ষমেলা হচ্ছে। কোনো গান বাজনা বা লাইটিং নেই। পুরো মেলা প্রাঙ্গণ বিনোদনকেন্দ্রে রূপ নিয়েছে। দিন দিন গাছ লাগানোর প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। এটিই সবচেয়ে বড় তৃপ্তির খবর।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

তৃণভূমির আগুনের ঝুঁকি মাপার নতুন সূচক তৈরি করছেন কানসাসের গবেষক

বাতাস, তাপমাত্রা, ঘাসের শুকনো ভাব, জ্বালানির আর্দ্রতা ও খরা মিলিয়ে সূচকটি জানাবে আগুন কত সহজে ছড়াতে পারে, যাতে র‍্যাঞ্চাররা নিরাপদে আগুন দিতে পারেন।

Farms.com৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

ছয় জলবায়ু-স্বাস্থ্য পদক্ষেপে বছরে ১৫ লাখ ৬০ হাজার মৃত্যু এড়ানো সম্ভব: ডব্লিউএইচও

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন প্রতিবেদনে তাপ-স্বাস্থ্য সতর্কতা ব্যবস্থায় সবচেয়ে বেশি লাভের হিসাব মিলেছে: প্রতি ১ ডলারে আনুমানিক ৮৩৫ ডলার।

ডাউন টু আর্থ৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

নাড়া থেকে বিদ্যুৎ: হরিয়ানায় পোড়ানো কমলেও সরবরাহে ফাঁক, বলছে গবেষণা

১৫৫ জনের জরিপে নাড়া পোড়ানো কমা ও স্বাস্থ্যের উন্নতি মিলেছে, তবে ৬১ শতাংশ কৃষককে নাড়া সরাতে টাকা দিতে হয়েছে, আর অনেক পেলেট কারখানা চলছে সক্ষমতার নিচে।

ডাউন টু আর্থ৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)