সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৪ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৪°মেঘলাআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

স্বাভাবিক হচ্ছে কানসাট আম বাজার

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমচাষিরা। তবে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আগের রূপে ফিরতে শুরু করেছে আম বাজার।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমচাষিরা। তবে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আগের রূপে ফিরতে শুরু করেছে আম বাজার।

শুক্রবার (২৬ জুলাই) সকাল থেকেই জমে উঠেছে কানসাট আম বাজার। এখন আমে ভরপুর এই বাজার। ক্রেতাও আছে বেশ।

কানসাট বাজারে আম্রপালি আম বিক্রি করতে এসেছেন ইউনিয়নের আব্বাস বাজার এলাকার হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরে কোটা আন্দোলনকে ঘিরে সারাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এতে কমে গিয়েছিল আমের দাম। তাই আমরা গাছ থেকে তেমন আম নামাইনি। কিন্তু মাঠে সেনাবাহিনী নামার পরে পরিস্থিতি এখন অনেকটাই শান্ত। যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এতে আমাদের কানসাট বাজারেও স্বস্তি ফিরে এসেছে। এখন আমরা স্বাভাবিকভাবেই আম বেচাকেনা করতে পারছি।

শ্যামপুর ইউনিয়নের আমচাষি আতাউর রহমান বলেন, 'কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে আমের বাজারে যে বিরূপ প্রভাব পড়েছিল, তা দূর হচ্ছে। গতকাল থেকে আগের রূপে ফিরতে শুরু করেছে এই আম বাজার।' শহিদুল ইসলাম নামের আরেক আমচাষি বলেন, 'সকাল থেকেই আম বাজারের চারপাশ আমে ভরপুর হয়ে উঠেছে। ক্রেতাদের আনাগোনাও বেশ। তবে বাজারে আগের মতো নগদ টাকায় লেনদেন হচ্ছে না।'

আরও পড়ুন:

একই কথা বললেন আম ব্যবসায়ী আশরাফুল। তিনি বলেন, 'বাজারে এখন ফজলি, আম্রপালি, বারি-৪, আশ্বিনাসহ নানা জাতের আম পাওয়া যাচ্ছে। তবে কোটা আন্দোলন পরিস্থিতির আগে সব আম নগদে বিক্রি হচ্ছিল। এখন কিছুটা নগদ টাকার লেনদেন কমেছে।'

তিনি আরও বলেন, কয়েকদিন ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। আড়তদাররা এখনো ঠিকঠাক নগদ টাকায় লেনদেন করছেন না।

আব্দুল বাসির নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, '৬-৭ বছর আগে এই আম বাজারে নগদ টাকায় আম বেচাকেনা কম হতো। একপর্যায়ে ২০২১-২২ সালের দিকে আড়তদাররা অনেক আমচাষির বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেন। তখন থেকে এই বাজারে আর কেউ বাকিতে আম বিক্রি করেন না। কিন্তু এখন পরিস্থিতির কারণে নগদ টাকার লেনদেন কমেছে।'

রহনপুর থেকে এক ভ্যান আশ্বিনা আম বিক্রি করতে এসেছিলেন রহমত আলী। তবে প্রত্যাশামাফিক দাম পাননি। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, 'এক হাজার ৭০০ টাকা মণ দরে আম বিক্রি করে বাসায় যাচ্ছি।আন্দোলনের আগে যে দরে আম বিক্রি হচ্ছিল সেই দরেই আম বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু এসময় আম বিক্রি হওয়ার কথা আরও বেশি দামে।'

কানসাট আম আড়তদার সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক বলেন, কোটা আন্দোলনের প্রভাব পড়েছিল আম বাজারেও। সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছিল না আমভর্তি ট্রাক। আড়তদাররা ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে নগদ টাকা উত্তোলন করতে পারছিলেন না। এতে ভোগান্তিতে পড়েছিলেন আম সংশ্লিষ্টরা। তবে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক। প্রতিদিন প্রায় ৫০০ আড়তে আম কেনাবেচা হচ্ছে। কাজ করছেন হাজারো শ্রমিক।

কনসাট আম বাজারে প্রতিদিন অন্তত ৩০-৩৫ কোটি টাকার আম বেচাকেনা হয়। এবার জেলায় চার লাখ ৫০ হাজার টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। যা গতবছর ছিল চার লাখ ২৫ হাজার টন।

সোহান মাহমুদ/এসআর/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

ডিমলায় বাড়ছে মাল্টা বাগান, ৬৫ শতাংশ জমিতে বছরে চার লাখ টাকা আয় নুর আলমের

নীলফামারীর ডিমলায় প্রচলিত ফসলে লাভ কমায় কৃষকেরা মাল্টায় ঝুঁকছেন। সুন্দরখাতার নুর আলম ৬৫ শতাংশ জমিতে বারি-১ মাল্টা চাষ করে বছরে প্রায় চার লাখ টাকা আয় করছেন।

কৃষি সময়৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

যুদ্ধ আর মার্কিন ফসল কমায় ভারতে পেস্তার দাম প্রায় দ্বিগুণ

ভারতের উৎসবের উপহার বাক্সে পেস্তার বদলে আসছে বীজ ও বেরি; কাঠবাদামের দাম বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ, আর বাদাম ও শুকনো ফলের দাম ২৫-৪০ শতাংশ।

ইকোনমিক টাইমস৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

জলে ডোবা ধানখেতে পানিফল চাষে লাভ দেখছেন তমলুকের চাষিরা

নিম্নচাপ আর অতিবৃষ্টিতে জমিতে জল জমে ধান পচে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের তমলুক ব্লকের চাষিরা পানিফল চাষে ঝুঁকেছেন; প্রতি কাঠায় এক থেকে দেড় কুইন্টাল ফলন, কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

এই সময়৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)