নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় দ্রুত বাড়ছে মাল্টা চাষ। কয়েকজন চাষি প্রথমে শুরু করে লাভবান হওয়ায় অন্যরাও আগ্রহী হয়েছেন। এখন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফসলের মাঠের পাশেই দেখা মিলছে মাল্টা বাগানের।
স্থানীয় কৃষকেরা জানান, প্রচলিত ফসলের উৎপাদন খরচ দিন দিন বাড়লেও সেই অনুযায়ী দাম মেলে না। তাই বাড়তি আয়ের আশায় তাঁরা ফল চাষে ঝুঁকছেন, আর স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত টাটকা ফলের চাহিদাও বাজারে আছে।
উপজেলার সুন্দরখাতা এলাকার কৃষক নুর আলম ৬৫ শতাংশ জমিতে বারি-১ জাতের মাল্টা চাষ করেছেন। তাঁর হিসাবে বাগান থেকে বছরে প্রায় চার লাখ টাকা আয় হচ্ছে। স্থানীয় বাজারে তিনি প্রতি কেজি মাল্টা ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি করছেন।
বাগানের ফাঁকা জায়গায় তিনি সাথী ফসল ও সুপারির চারা লাগিয়েছেন। এতে একই জমি থেকে বাড়তি আয় হচ্ছে বলে জানান তিনি। কৃষি বিভাগের কাছ থেকে নিয়মিত পরামর্শ পাচ্ছেন বলেও তিনি জানান।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সঠিক জাত নির্বাচন, মানসম্মত চারা, নিয়মিত পরিচর্যা, সুষম সার, সময়মতো রোগবালাই দমন ও পরিমিত সেচ নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চলে মাল্টা চাষ আরও বাড়ানো সম্ভব। বাগানের ফাঁকে সাথী ফসল করলে মূল ফলন পাওয়ার আগেই বাড়তি আয়ের সুযোগ থাকে।
ছবি: Javier martin / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)