সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৯ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৪°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৯৩%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

হারিয়ে যাচ্ছে জমির সবুজ সার ধৈঞ্চা

এক সময় জমির অন্যান্য ফসল ছিল ধৈঞ্চার চাষ। জমির প্রাণ ফেরাতে কৃষকরা নিয়মিত সবুজ (জৈব) সার হিসাবে ব্যবহার করতেন ধৈঞ্চা। কিন্তু কালের বিবর্তনে জমিতে হাইব্রিড ফসল আর রাসায়নিক সারের

এক সময় জমির অন্যান্য ফসল ছিল ধৈঞ্চার চাষ। জমির প্রাণ ফেরাতে কৃষকরা নিয়মিত সবুজ (জৈব) সার হিসাবে ব্যবহার করতেন ধৈঞ্চা। কিন্তু কালের বিবর্তনে জমিতে হাইব্রিড ফসল আর রাসায়নিক সারের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় প্রায় উঠেই যাচ্ছে ধৈঞ্চার চাষ।

এর ফলে ক্রমশ মাটি হারাচ্ছে তার স্বাভাবিক প্রাণশক্তি। এভাবে চলতে থাকলে মাটি হারিয়ে ফেলবে তার স্বাভাবিক উর্বরা শক্তি। বাড়বে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার। সে সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে চাষবাসের খরচ!

ধৈঞ্চার চাষের অতিতের স্মৃতি হাতড়ে কয়রা সদরের ৬ নং কয়রার প্রান্তিক কৃষক মোস্তফা শেখের ভাষায়, আগের আমলের বাপ-দাদারা প্রতি বছর একবার ধৈঞ্চার চাষ করতেন। মোটামোটি একমাসের মধ্যেই সবুজ চারায় ছেয়ে যেত ফসলের মাঠ। কী সুন্দর ছিল নরম ও সবুজ ধৈঞ্চার ক্ষেত।

তিনি আরো বলেন, জমি থেকে ধৈঞ্চা কেটে পুরো জমিতেই ছিটিয়ে লাঙল চালিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হতো। সপ্তাহের মধ্যেই জমিতে ধৈঞ্চা পচে মাটির সাথে মিশে যেত। মিটে যেত জৈব সারের চাহিদা। এরপর ওই জমিতে ফসল ফলতো সেসময় প্রচুর। কিন্তু এখন কি যে দিনকাল পড়লো; জমিতে সবুজ সার ও গোবর সারের পাউশ দেওয়া (ব্যবহার) বন্ধ হয়ে গেল।

কয়রা উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অনুতাপ সরকার বলেন, ধৈঞ্চার ব্যবহার এখন কমে গেলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্রান্তিক এ অঞ্চলের কৃষকেরা ধৈঞ্চা চাষে অনিহা বাজারে বিনা পরিশ্রমে সার পায় এজন্য।

তিনি বলেন, কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে তারা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের ধৈঞ্চারমতো প্রাকৃতিক সবুজ সারের ব্যবহার বাড়ানোর জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন। কৃষকদের নিয়মিত রাসায়নিক সার, বীজ ও কীটনাশকের ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে বুঝানো হচ্ছে।

গবেষণা করে দেখা গেছে, কৃষক পর্যায়ে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমানো গেলে মাটিতে ফসলের জন্য উপকারী পোকা মাকড়, কেঁচো প্রভৃতির বংশ বিস্তার হবে। এর ফলে জমিতে উৎপন্ন বিভিন্ন ফল ও ফসলের উৎপাদন খরচ অনেক কমে যাবে। আর কৃষকদের সাথে সাথে উপকৃত হবেন ভোক্তারাও।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

সুন্দরবনের ডিমের চরে আপনাআপনি জন্মানো 'ধানসী': পাখির খাবার, নাকি মানুষেরও?

সাগরমোহনার লবণাক্ত ডিমের চরে প্রায় চার কিলোমিটারজুড়ে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো ধানের মতো গাছ নিয়ে গবেষণার উদ্যোগ নিয়েছে বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর; কেউ কেউ বলছেন, এটি স্পার্টিনা জাতের বুনো ঘাসও হতে পারে।

বাংলা ট্রিবিউন৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

চীনের পশুখাদ্যে ভুট্টার ভাগ ৪৭% থেকে নেমে ২৯%, জায়গা নিচ্ছে গম, যব ও সরগাম

বেইজিংয়ে ইউএসডিএর দপ্তর জানিয়েছে, শূকর খামারের লোকসানে সস্তা খাদ্যের খোঁজে চীনের ফিড মিলগুলো ভুট্টার বদলে গম, যব ও সরগাম ব্যবহার করছে।

All Ag News৯ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

ভারতের চিনি উৎপাদনের পূর্বাভাস ১৪% কমিয়ে ২ কোটি ৯৫ লাখ টন করল ইউএসডিএ

নয়াদিল্লিতে ইউএসডিএর দপ্তর বলছে, ২০২৬-২৭ মৌসুমে ভারতে চিনি হবে ২ কোটি ৯৫ লাখ টন, আগের পূর্বাভাস ছিল ৩ কোটি ৩৬ লাখ; বৃষ্টির ঘাটতি, জলাবদ্ধতা ও লাল মাজরা পোকায় আখের ফলন ও চিনি আহরণ কমবে।

Rural Voice৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)