কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় এবার শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় মাঠে মাঠে ভালো ফলন, আর আগাম শসা বিক্রি করে বাজারে ভালো দামও পেয়েছেন চাষিরা।
তবে চাষিদের অভিযোগ, চাহিদামতো সার পাননি। তাঁদের মতে, শসাগাছের ঠিকঠাক বৃদ্ধি ও ফলন ধরে রাখতে নির্দিষ্ট সময়ে সার দেওয়া জরুরি; সময়মতো সার না পেলে উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। জমি তৈরি, বীজ, সার, সেচ ও পরিচর্যায় খরচও কম নয়।
সাবরাংয়ের পেন্ডলপাড়ার চাষি মুক্তার আহমদ বলেন, প্রতিবছরই তিনি শসা করেন; এবার ফলন ও দাম দুটোই ভালো, কিন্তু সার নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন, আর কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় খরচ বেড়েছে। আরেক চাষি মো. ইয়াছিন জানান, সারের বাড়তি দামে খরচ বাড়লেও লোকসান নয়, লাভের আশা করছেন।
স্বল্পমেয়াদি সবজি হওয়ায় অল্প সময়ে ফলন মেলে, তাই অনেক কৃষক নিজেদের জমিতে শসা চাষে ঝুঁকছেন।
টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, বর্তমান বাজারদর থাকলে চাষিরা খরচ পুষিয়ে ভালো মুনাফা পাবেন। তাঁর দাবি, টেকনাফে সারের কোনো ঘাটতি নেই, চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সার সরবরাহ করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনটি পাঠিয়েছেন কৃষি সময়ের কক্সবাজার সংবাদদাতা।
ছবি: শসাগাছের আকর্ষী, Friedrich Haag / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)