চলতি অর্থবছরে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) সংগ্রহ কর্মসূচির আকার ৮ হাজার কোটি টাকা। নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে পণ্য পৌঁছাতে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা কমাতে উপকারভোগীর তথ্য যাচাই থেকে পণ্য সরবরাহ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার আর্মি গলফ ক্লাবে ‘ট্রেড উইথ টিসিবি’ শীর্ষক বিজনেস টকে এ তথ্য জানানো হয়। সেবা সহজ করা এবং ক্রয়ে দরদাতা ও সরবরাহকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উপস্থিত থাকলেও কোনো বক্তব্য দেননি; স্বাগত বক্তব্য দেন টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মাদ ফয়সল আজাদ।
টিসিবি জানায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ডিজিটাল রূপান্তরের পর সংস্থাটি এখন সাত হাজার ৩০০ ডিলারের মাধ্যমে ৬৪ জেলায় ৪২টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহায়তায় কাজ করছে। ৪৮টি গুদামের ধারণক্ষমতা প্রায় ৫১ হাজার ৩০০ টন, আর মোট পণ্য সরবরাহ ছয় লাখ ৫০ হাজার টন। স্থানীয় ক্রয়ের ৮৬ শতাংশ ও আন্তর্জাতিক ক্রয়ের ৫৯ শতাংশ লক্ষ্য এরই মধ্যে পূরণ হয়েছে।
আসন্ন রমজানে পাঁচটি বিশেষ পণ্যের চাহিদা মেটাতে ২৬ হাজার টন পণ্য সরবরাহের পরিকল্পনা আছে; এ জন্য ৫২০টি ট্রাক প্রস্তুত রাখা হয়েছে, প্রতিটি ট্রাক দিনে ৪০০ ক্রেতাকে সেবা দেবে।
বিআইডিএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. বদরুন্নেসা আহমেদ, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক নাজনীন আহমেদসহ বক্তারা বলেন, শুধু ডিজিটাল কার্ড চালু করলেই সুফল মিলবে না; প্রকৃত উপকারভোগী বাছাই নিশ্চিত করতে হবে এবং ক্ষমতাধরদের বাড়তি সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে নজরদারি বাড়াতে হবে।
উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বাজারের অস্থিরতায় টিসিবির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করে তাঁরা কার্যক্রমের পরিধি ও পণ্যের বান্ডিল বাড়ানো, বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীদারত্ব, টিসিবিকে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা এবং ভোক্তাদের মতামত নেওয়ার ওপর জোর দেন।
ছবি: Press Information Department / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: আমার দেশ




মন্তব্য
(০)