সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

সংখ্যায় কম থাকলে প্রবাল খেকো তারামাছই গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের উপকারে আসতে পারে

সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা দেখেছেন, ক্রাউন-অব-থর্নস তারামাছের প্রায় ৭৫ শতাংশ খাওয়ার ঘটনায় প্রবালের জীবিত কলা টিকে থাকে; কম সংখ্যায় থাকলে এরা দ্রুত বাড়া প্রবালকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

সংখ্যায় কম থাকলে প্রবাল খেকো তারামাছই গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের উপকারে আসতে পারে
পরিবেশ

অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের প্রবাল ধ্বংসের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দায়ী করা হয় ক্রাউন-অব-থর্নস (crown-of-thorns) তারামাছকে। কিন্তু সংখ্যায় কম থাকলে এই কাঁটাওয়ালা শিকারি প্রাচীরের উপকারও করতে পারে। সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Sydney) গবেষকদের এ গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে ইকোলজি অ্যান্ড ইভোলিউশন (Ecology and Evolution) সাময়িকীতে।

গবেষক দলের নেতৃত্বে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব লাইফ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেসের হরাইজন ফেলো ড. শনা ফু (Shawna Foo)। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ান ট্রি আইল্যান্ড (One Tree Island) গবেষণাকেন্দ্রের আশপাশে তারামাছের খাওয়া পর্যবেক্ষণ করেন। জায়গাগুলো প্রাচীরের সংরক্ষিত অংশে, যেখানে মাছের সংখ্যা ভালো আর তারামাছ তুলনামূলক কম।

পর্যবেক্ষণ করা খাওয়ার ঘটনার প্রায় ৭৫ শতাংশেই প্রবালের জীবিত কলা টিকে ছিল। তারামাছ প্রতিবার মোটামুটি একই পরিমাণ খেয়ে সরে যায় বলে মনে হয়েছে; পুরো প্রবাল উপনিবেশ মেরে ফেলে না।

এদের প্রিয় খাবার দ্রুত বাড়া অ্যাক্রোপোরা (Acropora) প্রবাল। এগুলো খেয়ে কম সংখ্যার তারামাছ ধীরে বাড়া প্রবালের জন্য জায়গা খুলে দেয়। গবেষকেরা দেখেছেন, দ্রুত বাড়া অ্যাক্রোপোরিডি প্রবালের ক্ষতিগ্রস্ত টুকরো খাওয়া জায়গায় আর গজায়নি; নতুন বৃদ্ধি হয়েছে মূলত ধীরে বাড়া মন্টিপোরা (Montipora) ও পোরিটিস (Porites) প্রবালে।

গবেষণার সহলেখক অধ্যাপক মারিয়া বার্ন (Maria Byrne) বলেন, ফলাফলটি ‘ইন্টারমিডিয়েট ডিস্টার্বেন্স হাইপোথিসিস’-এর সঙ্গে মেলে। এই ধারণা অনুযায়ী, মাঝারি মাত্রার বিঘ্ন কোনো একটি প্রজাতিকে একচ্ছত্র হতে দেয় না, ফলে জীববৈচিত্র্য টিকে থাকে।

তবে গবেষকেরা জোর দিয়ে বলেছেন, তারামাছের প্রাদুর্ভাব এখনো বড় হুমকি। ১৯৬০-এর দশকের পর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফে চারবার বড় প্রাদুর্ভাব হয়েছে, মোটামুটি প্রতি ১৫ বছরে একবার। ট্রাইটন শামুক ও কিছু প্রাচীর মাছের মতো প্রাকৃতিক শিকারি কমে যাওয়ায় প্রাচীর আরও ঝুঁকিতে পড়েছে।

তাঁদের মতে, প্রাদুর্ভাব একবার নিয়ন্ত্রণে আনার পর তারামাছ পুরোপুরি নির্মূল করাই লক্ষ্য হওয়ার দরকার নেই। তারামাছ নিধনের পাশাপাশি এমন কঠোর সামুদ্রিক ব্যবস্থাপনা দরকার, যা এদের প্রাকৃতিক শিকারিদের রক্ষা করে।

গবেষণাপত্রের অন্য লেখকেরা হলেন ম্যাথিউ ক্লেমেন্টস, আদি জুইফলার, জর্জি এগলটন ও হেইডেন মিলিকান।

ছবি: Matt Wright / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.5)

সূত্র: সায়েন্সডেইলি

সায়েন্সডেইলিসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

দক্ষিণ এশিয়ার বড় বিপদ ব্ল্যাক কার্বন, উষ্ণায়নে কার্বন ডাই-অক্সাইডের শতগুণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারে অধ্যাপক আবদুস সালাম জানান, শীতে ইন্দো-গাঙ্গেয় সমভূমির দূষিত বাতাসে পিএম ২.৫ প্রতি ঘনমিটারে ৫০০ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত ওঠে; দুই স্ট্রোক ইঞ্জিন বন্ধের পর ঢাকায় ব্ল্যাক কার্বন কমেছে।

প্রথম আলো১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

ঝরা পাতার লোকজ্ঞান আর আদিবাসীর অধিকার: ইয়েরেভান সম্মেলন থেকে পাভেল পার্থ

আর্মেনিয়ায় প্রাণবৈচিত্র্য সম্মেলনের ১৭তম আসরে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে প্রথম আলোয় পাভেল পার্থ লিখেছেন, ঝরা পাতাকে কেবল কার্বনের হিসাবে দেখলে প্রাণবৈচিত্র্য সনদের অঙ্গীকার পূরণ হবে না।

প্রথম আলো১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

অক্টোবরে দেশে বৃষ্টি স্বাভাবিকের চেয়ে ৬৮ শতাংশ কম

আবহাওয়া অধিদপ্তরের মাসিক প্রতিবেদনে, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবসহ দুটি লঘুচাপের মাসেও অক্টোবরে বৃষ্টি হয়েছে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম; গড় তাপমাত্রা ছিল ১.১ ডিগ্রি বেশি।

বাংলা নিউজ ২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)