সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

টিকে থাকার চাষ থেকে লাভজনক খামার: বদলটা আকারে নয়, হিসাব আর ব্যবস্থাপনায়

দক্ষ ক্ষুদ্র কৃষক বেশি জমি চাষ করে নয়, খরচ, মুনাফার হার আর নগদ প্রবাহ মেপে বাণিজ্যিক কৃষক হয়ে ওঠেন, ফার্মার্স উইকলির নতুন খামার-অর্থায়ন ধারাবাহিকে লিখেছেন কোবুস দু প্লেসি।

টিকে থাকার চাষ থেকে লাভজনক খামার: বদলটা আকারে নয়, হিসাব আর ব্যবস্থাপনায়
এগ্রোবিজ

দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে হাজারো ক্ষুদ্র কৃষক দক্ষতার সঙ্গে ফসল ফলান, গবাদিপশু পালেন, দুধ দোহান, মুরগি রাখেন। তবু অনেকে নগদ টাকার টানাটানি, বাড়তে থাকা ঋণ আর অনিশ্চিত মুনাফার চক্রে আটকে থাকেন। ফার্মার্স উইকলির খামার-অর্থায়ন বিষয়ক নতুন ধারাবাহিকের প্রথম লেখায় কোবুস দু প্লেসি (Cobus du Plessis) বলছেন, সমস্যা সাধারণত উৎপাদনের দক্ষতায় নয়, খামারটিকে ব্যবসা হিসেবে চালানোর ধরনে।

তাঁর বর্ণনায় ক্ষুদ্র কৃষক সাধারণত অল্প পুঁজি ও যন্ত্র নিয়ে ছোট পরিসরে চাষ করেন, পারিবারিক শ্রমের ওপর নির্ভর করেন, হিসাব রাখেন অনানুষ্ঠানিকভাবে, আর ফসল বেচেন প্রতিবেশী, ফেরিওয়ালা, কসাইয়ের দোকান, পৌর বাজার বা অনানুষ্ঠানিক ব্যবসায়ীর কাছে। ক্ষুদ্র কৃষক মানেই অদক্ষ নন। তবে এসব খামার মূলত উৎপাদনকেন্দ্রিক থাকে: দাম ঠিক হয় প্রতিযোগী কত নিচ্ছে তা দেখে, প্রকৃত খরচ দেখে নয়; হিসাব অসম্পূর্ণ থাকে, সিদ্ধান্ত হয় পরিস্থিতির চাপে।

ধারাবাহিকটির মতে, বড় খামার, দামি যন্ত্র বা বেশি বিক্রি দিয়ে বাণিজ্যিক কৃষি চেনা যায় না; চেনা যায় ব্যবস্থা ও আর্থিক শৃঙ্খলা দিয়ে: বাজেট, রেকর্ড, মজুরি, কর, উৎপাদন বিশ্লেষণ, অর্থায়ন, মজুত নিয়ন্ত্রণ আর প্রতিটি উদ্যোগের মুনাফার হার ও নগদ প্রবাহ দেখে সিদ্ধান্ত। ক্ষুদ্র কৃষক ভাবেন কীভাবে আরও বেশি উৎপাদন করবেন, বাণিজ্যিক কৃষক ভাবেন কীভাবে একটি লাভজনক ও টেকসই কৃষি ব্যবসা গড়বেন। বেশি ফলন মানেই বেশি মুনাফা নয়, আর বিক্রির অঙ্ক মানেই হাতে নগদ নয়।

বদলের ধাপগুলোও লেখায় আছে। প্রথমে ঠিক করতে হবে কেমন ব্যবসা গড়ছেন, টিকে থাকার আয়ের জন্য না দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির জন্য। তারপর নিজের সংখ্যাগুলো জানতে হবে, কারণ যা মাপা হয় না তা সামলানো যায় না: উৎপাদন খরচ, মোট মুনাফার হার, ঋণ, মজুরি, প্রতিটি উদ্যোগের লাভ। অনেক নতুন কৃষক খুব আগেভাগে নানা কিছুতে হাত দেন; শক্ত ব্যবসা প্রায়ই গড়ে ওঠে আগে একটি লাভজনক ফসল, পশুপালন ব্যবস্থা বা নির্ভরযোগ্য বাজারে দক্ষ হয়ে।

বাড়ানোর আগে বিক্রির নিশ্চয়তা: কে কিনবে, কেমন মান ও মোড়ক লাগবে, কবে সরবরাহ, দাম কীভাবে ঠিক হয়, এসব আগে জানা চাই, কারণ নিশ্চিত বাজার ছাড়া উৎপাদন কৃষির সবচেয়ে বড় ঝুঁকিগুলোর একটি। অন্য ফাঁদ নগদ প্রবাহ। লাভজনক খামারও টাকাশূন্য হয়ে পড়তে পারে, যখন বীজ বোনার খরচ, মজুরি, ঋণের কিস্তি আর ক্রেতার দেরিতে শোধ একই মৌসুমে এসে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদনের চেয়ে নগদ প্রবাহই ঠিক করে খামার টিকবে কি না।

দু প্লেসি মনে করিয়ে দেন, একা কেউ বাণিজ্যিক খামার গড়েন না; হিসাবরক্ষক, অর্থদাতা, বাজার প্রতিনিধি, পরামর্শদাতা, কৃষক সংগঠন, উপকরণ সরবরাহকারী আর অভিজ্ঞ উৎপাদকদের সঙ্গে যোগাযোগ ভুল এড়াতে সাহায্য করে। ধারাবাহিকটির লক্ষ্য খামার-অর্থায়নকে সহজ ও কাজে লাগার মতো করে তোলা।

ছবি: Alandmanson / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)

সূত্র: ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকাসূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

ফসল

পাটবীজ, আঁশের ফলন ও বহুমুখী পণ্যে চীনের প্রযুক্তি: জেডিপিসি-জিয়াংনান বিশ্ববিদ্যালয় সমঝোতা

জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার ও চীনের জিয়াংনান বিশ্ববিদ্যালয় পাটের উন্নত বীজ, উৎপাদনশীলতা ও বহুমুখী ব্যবহারে যৌথ গবেষণার সমঝোতা স্মারক সই করেছে; পাটমন্ত্রী বলেছেন, অর্থের চেয়ে প্রযুক্তিই বেশি দরকার।

মানবজমিন১৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

জয়পুরহাটের দুর্গাদহ হাটে দিনে কোটি টাকার কলা, তবু কাদির দাম কমেছে

উত্তরাঞ্চলের বড় কলার হাট জয়পুরহাটের দুর্গাদহে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ ট্রাক কলা দেশের নানা জেলায় যায়; তবে দুই সপ্তাহে কাদির দাম ৩০০-৪০০ টাকা থেকে নেমে ২০০-২৫০ টাকায়, আর হাটের জায়গা ছোট।

কৃষি সংবাদ১৮ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

আখের দাম কুইন্টালে ৫৭৫ রুপি দাবি কিষান সভার, রমেশ চাঁদ কমিটি নিয়ে প্রশ্ন

নিখিল ভারত কিষান সভার দাবি, সরকারি ৩৬৫ রুপি দাম চাষের খরচ কম দেখায়; চিনির ন্যূনতম বিক্রয়মূল্য কেজিতে ৩১ থেকে ৫০ রুপি এবং সব ফসলে সি২+৫০ শতাংশ হারে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য চায় সংগঠনটি।

Rural Voice১৮ অক্টোবর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)