হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার দীর্ঘদিন জনবল সংকটে ভুগছে। আটটি পদের পাঁচটি শূন্য থাকায় খামার ব্যবস্থাপক, হ্যাচারি সহচর ও অফিস সহায়ক, এই তিনজন দিয়ে চলছে কাজ। শূন্য পদের মধ্যে আছে ক্ষেত্র সহকারী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ও নৈশপ্রহরী।
১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত খামারটির জন্য প্রায় ১,২৩২ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। তখন থেকে এটি হবিগঞ্জের মাছচাষিদের পোনা ও রেণু সরবরাহ করছে। হ্যাচারির পাশাপাশি ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চলছে; নির্ধারিত দামে পোনা-রেণুর সঙ্গে চাষিদের পরামর্শও দেওয়া হয়। তবে সরকারি বরাদ্দ না থাকায় একসময়কার চাষি প্রশিক্ষণ এখন বন্ধ।
হ্যাচারি সহচর মো. মিজানুর রহমান বলেন, জনবল কম থাকায় সবাইকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে, উৎপাদন ও পরিচর্যা ঠিকমতো করতে জনবল জরুরি। খামার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ দিদারুল আলম জানান, পুকুর ও স্থাপনার নিরাপত্তায় নৈশপ্রহরীসহ শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ দরকার; পোনা পরিবহনের জন্য গাড়ি ও চালকের প্রয়োজনের কথাও বলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
শায়েস্তাগঞ্জ, চুনারুঘাট, মাধবপুর, বাহুবল ও হবিগঞ্জ সদর থেকে চাষিরা এখানে পোনা ও রেণু নিতে আসেন। খামারের সামনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, এক পাশে হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক-২, অন্য পাশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন। শিল্পায়ন ও যানবাহনের চাপে খামারের পরিবেশে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা, যদিও ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণে বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন প্রয়োজন।
প্রতিবেদনটি মানবজমিনের শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধির।
ছবি: syed sajidul islam / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0); জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাছের হ্যাচারি, প্রতীকী ছবি
সূত্র: মানবজমিন





মন্তব্য
(০)