বর্ষায় বিল, জলাশয় ও নিচু জমিতে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো শাপলা এখন শরীয়তপুরের প্রান্তিক মানুষের আয়ের একটি উৎস। ভোরে নৌকা বা ছোট জলযানে বিলে নেমে শাপলা তুলে, পরিষ্কার করে আঁটি বেঁধে জেলার হাটবাজারে বিক্রি করছেন নিম্ন আয়ের নারী-পুরুষ।
বাজার ও মৌসুমভেদে ১০ থেকে ১২টি শাপলার এক আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২০ টাকায়। বিক্রেতারা জানান, বড় মূলধন ছাড়াই এ কাজ করা যায়, তাই বর্ষায় কৃষিকাজ বা অন্য শ্রমের সুযোগ কমলে অনেক দরিদ্র পরিবারের জন্য এটি বাড়তি আয়ের পথ। পালং বাজারের বিক্রেতা আব্দুল গফুর জানান, প্রতিদিন সকালে বিল থেকে শাপলা তুলে বিক্রি করে সংসারের খরচ মেটান।
পাশের মাদারীপুরের রাজৈরের আমগ্রাম বিল থেকেও শাপলা তুলে শরীয়তপুরে বিক্রি করতে আসেন গোবিন্দ বালা; চাহিদা ভালো থাকায় প্রতিদিনই বিক্রি করতে পারছেন বলে জানান তিনি।
শরীয়তপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ বিভাগের অতিরিক্ত উপসহকারী পরিচালক মাসুমা জান্নাত বলেন, শাপলা এখনো কৃষিপণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত নয়, এ নিয়ে তাঁদের গবেষণাও নেই। তবে জেলার বিল, ডোবা ও নিচু জমিতে প্রচুর শাপলা জন্মায় এবং এখন আগের চেয়ে বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আসছে।
প্রতিবেদনটি এগ্রিকেয়ার২৪-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে, যার সূত্র বাসস।
ছবি: Rameshng / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪





মন্তব্য
(০)