শরীয়তপুরে বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার পর জমিতে আর্দ্রতা থাকতেই বিনা চাষে পেঁয়াজ ও রসুন রোপণ শুরু করেছেন কৃষকেরা। এ বছর পানি নামতে কিছুটা বেশি সময় লাগায় আবাদ দেরিতে শুরু হয়েছে, এখন চলছে পুরোদমে।
বিনা চাষে জমি বারবার চাষ ও মই দিয়ে তৈরি করতে হয় না, তাই খরচ, সময় ও শ্রম কম লাগে। অনেকে খড় বা শুকনো উদ্ভিদাংশ বিছিয়ে মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখেন। পরিবারের সদস্যরা নিজেরাই মাঠে নেমে শ্রমিকের খরচ কমানোর চেষ্টা করছেন।
জেলার দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি এ দুই ফসলের উপযোগী। তবে জমিতে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকলে কন্দ পচে যাওয়া ও ছত্রাকজনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে, তাই সময়মতো রোপণ জরুরি।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এবার মুড়িকাটা পেঁয়াজের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৩৫০ হেক্টর, হালি পেঁয়াজ ৩৫০ হেক্টর এবং রসুন ৫ হাজার ২৫০ হেক্টর।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. জাহিদুল আলম বাসসকে বলেন, ফসল ছত্রাকমুক্ত রাখতে ও পোকা থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোনো ডিলার যেন সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারেন, সে নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। প্রণোদনা কর্মসূচিতে সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে।
তবু মৌসুমের শুরুতেই বীজ ও সারের বাড়তি দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকেরা। তাঁদের কথা, শ্রম ও উপকরণের ব্যয় মেটানোর পর ন্যায্য দাম না পেলে লাভ করা কঠিন। তাই পেঁয়াজ-রসুনের ন্যায্য দাম ও সহনীয় সারের দাম নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সূত্র: বাসস

মন্তব্য
(০)