সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৭ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

অর্ধেক খাওয়াও, অর্ধেক রাখো: পালাক্রমে চারণে ঘাসের সুরক্ষা

জমি যতটুকু ঘাস জোগাতে পারে ততটুকু পশু রাখা এবং ঘাসকে আবার গজানোর সময় দেওয়াই পালাক্রমে চারণের মূল কথা, বলছেন দক্ষিণ আফ্রিকার লিম্পোপো বিশ্ববিদ্যালয়ের চারণবিজ্ঞানী ড. লেসেগো মোৎশেকগা।

অর্ধেক খাওয়াও, অর্ধেক রাখো: পালাক্রমে চারণে ঘাসের সুরক্ষা
লাইভস্টক

পশুকে এক খোঁয়াড় থেকে আরেক খোঁয়াড়ে সরিয়ে চরানো, অর্থাৎ পালাক্রমে চারণ (rotational grazing), চারণভূমির অবস্থা ভালো করতে পারে। তবে তা তখনই কাজে দেয় যখন পশুর সংখ্যা জমির ঘাসের সঙ্গে মেলে এবং ঘাস আবার গজানোর সময় পায়। দক্ষিণ আফ্রিকার ফার্মার্স উইকলিকে এ কথা বলেছেন লিম্পোপো বিশ্ববিদ্যালয়ের চারণবিজ্ঞানের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ড. লেসেগো মোৎশেকগা (Dr Lesego Motshekga)।

তাঁর ভাষায়, "পালাক্রমে চারণ চারণভূমির ওপর চাপ এবং ঘাসের সেরে ওঠার সময়, দুটোই নিয়ন্ত্রণ করে।" কিন্তু জমি যত পশু খাওয়াতে পারে তার বেশি রাখলে এ পদ্ধতি কাজ করে না; ঘাসই যদি কম থাকে, পশু যত ঘন ঘনই সরানো হোক, অতিচারণ হবেই। বেশি খোঁয়াড় মানেই ভালো ব্যবস্থাপনা নয়, বলেন তিনি। ঠিক সংখ্যক পশু থাকলে কম খোঁয়াড়েও ভালো ফল মেলে, আর অনেক খোঁয়াড় থাকলেও পশু বেশি দিন রাখলে বা ঘাস সেরে ওঠার আগে ফেরালে জমি নষ্ট হয়।

তাঁর ব্যবহারিক নিয়ম হলো "অর্ধেক খাওয়াও, অর্ধেক রাখো"। খোঁয়াড়ের পাতার ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ খাওয়া হয়ে গেলে পশু সরিয়ে নিতে হবে, যাতে বাকি পাতা দিয়ে ঘাস দ্রুত আবার বাড়ে। ক্যালেন্ডার ধরে ১৪ বা ২১ দিনের মতো বাঁধা সময় না মানার পরামর্শ দেন তিনি, কারণ বর্ষায় যে সময় নিরাপদ, খরায় সেটাই অতিচারণ ঘটাতে পারে। কৃষককে খোঁয়াড় ঘুরে দেখে ঘাসের অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

আধা-শুষ্ক লিম্পোপোতে বৃষ্টির ওপর নির্ভর করে অক্টোবর থেকে এপ্রিল ঘাস বাড়ার মূল মৌসুম। বসন্তে বহুবর্ষজীবী ঘাস যখন জমানো খাদ্য দিয়ে নতুন কুশি ছাড়ে, তখন কড়া বা বারবার চারণ এড়াতে হবে। গ্রীষ্মের শুরুতে তিনি মোটামুটি ৩ থেকে ১০ দিনের ছোট চারণকাল আর লম্বা বিরতির কথা বলেন; জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ঘাস সবচেয়ে বেশি বাড়ে, তখন ঘাস সেরে উঠতে থাকলে চারণের দিন বাড়ানো যায়; মার্চ-এপ্রিলে আবার চাপ কমাতে হয়। তাঁর মতে শীতকাল আপনা থেকেই সেরে ওঠার সময় নয়, কারণ সুপ্ত ঘাস তখন বাড়ে না।

কিছু খোঁয়াড় পুরো এক মৌসুম, লিম্পোপোর ক্ষেত্রে অক্টোবর থেকে এপ্রিল, একেবারে না চরানোরও পরামর্শ দেন তিনি। এতে ঘাস তার জীবনচক্র শেষ করে, শিকড় মজবুত করে এবং বীজ ফেলে মাটির বীজভান্ডার ভরে তোলে, যা খরা, আগুন বা অতিচারণের পর চারণভূমি ফেরাতে সাহায্য করে।

প্রতিটি খোঁয়াড়ে নির্ভরযোগ্য পানির ব্যবস্থা থাকা দরকার, আর ব্যবস্থা গড়ার আগে বেড়া, পানির জায়গা ও শ্রমের খরচ হিসাব করতে হবে। বাড়ন্ত, দুধেল ও প্রজননের পশুকে ভালো ঘাস আগে দেওয়া যায়। পানির জায়গা ও বাড়তি খাবার যেখানে রাখা হয় সেখানে পশু জড়ো হয়, তাই সেগুলোর অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। এ বছর এল নিনোর চাপ থাকায় তিনি পশুর সংখ্যা যাচাই করতে এবং ভালো মৌসুমের পর তাড়াহুড়ো করে পশু না বাড়াতে বলেছেন।

ছবি: JMK / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0), লিম্পোপোর মোগালাকোয়েনা নদীর বুকে গবাদিপশু

সূত্র: ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকাসূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

সুদমুক্ত ঋণে অ্যাঙ্গোরা ছাগল, দেশেই উল ধোয়া: মূল্য ধরে রাখতে চায় দক্ষিণ আফ্রিকালাইভস্টক

সুদমুক্ত ঋণে অ্যাঙ্গোরা ছাগল, দেশেই উল ধোয়া: মূল্য ধরে রাখতে চায় দক্ষিণ আফ্রিকা

অ্যাগ্রি-এক্সপোর কমনওয়েলথ সমাবেশে মোহেয়ার এমপাওয়ারমেন্ট ট্রাস্ট ও উল উৎপাদক স্টেফান গারবার প্রাকৃতিক আঁশের মূল্য শৃঙ্খল দেশের ভেতরে রাখার দুটি পথ তুলে ধরেছেন।

ফুড ফর মজানসি৭ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
গরুর পাল বাড়াতে খামারিদের ২৩ লাখ ডলারের কর্মসূচি নোভা স্কশিয়ায়লাইভস্টক

গরুর পাল বাড়াতে খামারিদের ২৩ লাখ ডলারের কর্মসূচি নোভা স্কশিয়ায়

অনুমোদিত খরচের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ দেবে কানাডার এই প্রদেশ। খামারের বিক্রি অনুযায়ী অনুদানের সীমা, আবেদন ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

Farms.com৭ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
শীতের সবজি আসতেই কমছে শিম-কপির দাম, মাছ-মাংসে স্বস্তি নেইশাকসবজি

শীতের সবজি আসতেই কমছে শিম-কপির দাম, মাছ-মাংসে স্বস্তি নেই

রাজধানীর বাজারে আগাম শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও মুলার দাম কমতে শুরু করেছে, তবে মাছ ও মাংসের দাম আগের মতোই চড়া।

ইত্তেফাক৭ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)