ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র তীরের কাচারিঘাটের বাংলাদেশ নার্সারিতে দেখা মিলেছে শোভাবর্ধক ফুলগাছ রোজ অব শ্যারনের। সমকালের প্রতিবেদনে লেখক জানিয়েছেন, এ বছরের ৬ জুলাই সকালে জয়নুল আবেদিন পার্ক থেকে ফেরার পথে তিনি গাছটির দেখা পান।
নামে গোলাপ থাকলেও এটি প্রকৃত গোলাপ নয়। বৈজ্ঞানিক নাম Hibiscus syriacus, পরিবার Malvaceae, অর্থাৎ জবা পরিবারের সদস্য। ফুলের গঠনও জবার মতো। ইউরোপীয় শ্রেণিবিন্যাসবিদেরা ভেবেছিলেন ফুলটি সিরিয়া থেকে এসেছে, সেই নামই রয়ে গেছে। এর আদি অঞ্চল পূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে চীন, তাইওয়ান ও কোরিয়া।
কোরিয়ায় এটি জাতীয় ফুল, পরিচিত মুগুনঘোয়া নামে। কোরীয় সংস্কৃতিতে ফুলটি অধ্যবসায় ও অবিনাশী প্রাণশক্তির প্রতীক।
রোজ অব শ্যারন পত্রমোচী কাষ্ঠল গুল্ম, উচ্চতা ২.৫ থেকে ৪ মিটার। শীতপ্রধান অঞ্চলে শীতে পাতা ঝরে যায়, বসন্তে নতুন পাতা গজায়। উপযুক্ত পরিবেশে গাছটি দীর্ঘদিন বাঁচে এবং ধীরে ধীরে সুন্দর ঝোপালো আকার নেয়।
গাছটির বড় আকর্ষণ এর দীর্ঘ প্রস্ফুটনকাল। গ্রীষ্মের মাঝামাঝি থেকে শরৎ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ফুল ফোটে, যদিও অঞ্চল ও আবহাওয়াভেদে সময় বদলাতে পারে। ফুল বড়, চোঙা আকৃতির, পাঁচটি পাপড়ি মিলে তৈরি। বাগানের সৌন্দর্য বাড়াতে পৃথিবীর নানা নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে এটি চাষ হয়।
ছবি: Chrumps / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: সমকাল





মন্তব্য
(০)