সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩৪°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৪৬%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

পলিনেট হাউজ প্রযুক্তি: সারা বছর উচ্চমূল্যের সবজি চাষের হিসাব দিলেন এক গবেষক

নিয়ন্ত্রিত আলো, তাপ ও পরিমিত সেচের পলিনেট হাউজ প্রযুক্তিতে বছরে তিন থেকে চারটি ফসল তোলা যায় বলে লিখেছেন গবেষক ড. মো. ফোরকান আলী; পাঁচ শতকের একটি ঘরে খরচ ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা।

পলিনেট হাউজ প্রযুক্তি: সারা বছর উচ্চমূল্যের সবজি চাষের হিসাব দিলেন এক গবেষক
মতামত

জলবায়ু বদলে যাওয়ার এই সময়ে পলিনেট হাউজকে কৃষির একটি কার্যকর নতুন প্রযুক্তি হিসেবে দেখছেন গবেষক ও সাবেক অধ্যক্ষ ড. মো. ফোরকান আলী। জাগো নিউজে প্রকাশিত এক লেখায় তিনি বলেছেন, গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অসম বৃষ্টিপাত আর দিনের দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন দেশের শস্যচক্রে বদল আনছে, আর প্রতিকূল আবহাওয়ায় উৎপাদন ঝুঁকিতে পড়ছে। লেখার মতামত লেখকের নিজের।

লেখকের ব্যাখ্যায় পলিনেট হাউজ হলো কৃষকের ব্যবহারের উপযোগী একটি নিয়ন্ত্রিত ঘর, যেখানে ফসলের প্রয়োজন বুঝে আলো, পানি ও তাপ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এতে বৃষ্টিনির্ভর খরিপ-১ ও খরিপ-২ মৌসুমেও উচ্চমূল্যের সবজি ও ফল চাষ করা যায়, আর আগাম রবি ফসল যোগ করলে একই জমিতে বছরে চারবার ফসল তোলার মডেল দাঁড় করানো সম্ভব। তিনি উদাহরণ দিয়েছেন মরিচ বা ক্যাপসিকাম, গ্রীষ্মকালীন টমেটো, বেগুন, শসা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার।

দেশের সব জায়গাতেই এ ঘর তৈরি করা যায় বলে লেখক জানিয়েছেন, তবে তাঁর মতে বেশি দরকার বন্যাপ্রবণ ফরিদপুর ও হাওর-বিল এলাকা, লবণাক্ত খুলনা, সাতক্ষীরা, বরগুনা ও পটুয়াখালী এবং খরাপ্রবণ রাজশাহী, দিনাজপুর ও টাঙ্গাইলে, যেখানে গরম বা সময়মতো বীজ না পাওয়ায় ফসল ফলানো কঠিন।

খরচের হিসাবে লেখায় বলা হয়েছে, প্রতি শতকে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ধরলে পাঁচ শতক জমিতে একটি পলিনেট হাউজ তৈরিতে ২ লাখ থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা লাগে। ঠিকমতো মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ হলে ঘরটি ১২ থেকে ১৫ বছর, এমনকি ২০ বছর পর্যন্ত টিকতে পারে। কৃষক কাঠ, বাঁশ ও সুতার মতো স্থানীয় উপকরণ দিয়েও এ প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে পারেন।

আয়ের উদাহরণে লেখক গ্রীষ্মকালীন টমেটোর হিসাব দিয়েছেন: ১০ শতক জমিতে ৬০০ চারা, খরচ ৩০ হাজার টাকা, গাছপ্রতি আড়াই কেজি ধরলে মোট ১ হাজার ৫০০ কেজি টমেটো। কেজি ৭৫ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হলে ১ লাখ ১২ হাজার ৫০০ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আসে, তিন মাসে মুনাফা প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। তাঁর হিসাবে মরিচ, ধনেপাতা ও পুদিনায় লাভ আরও বেশি, আর ১২ থেকে ১৫ বছরে একটি ঘর থেকে কোটি টাকা আয় সম্ভব। এ অঙ্কগুলো লেখকের নিজের প্রাক্কলন।

লেখক মনে করেন, ১৮ কোটি মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তার জন্য এখন অভিযোজন ও সহনশীলতা বাড়ানোয় জোর দিতে হবে, যা নির্ভর করে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা, জমির সঠিক ব্যবহার ও আধুনিক জাতের ওপর। এলাকার অগ্রগামী কৃষকেরা এ প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে পারেন বলে তাঁর পরামর্শ।

ছবি: U.S. Department of Agriculture / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: চীনা বালাইনাশক কোম্পানি মার্কিন কৃষকের দোরগোড়ায়, বিক্রেতারা কী করবেন

ক্রপলাইফে লেখা এক কলামে হুয়া চেং ও ডেভিড লি বলছেন, চীনা ফসল সুরক্ষা কোম্পানিগুলো মার্কিন কৃষকের কাছে পৌঁছানোর নতুন পথ পাচ্ছে, তবে স্থানীয় বিক্রেতাদের এমন কিছু শক্তি আছে যা কনটেইনারে করে পাঠানো যায় না।

ক্রপলাইফ১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

শীতে শিশুর রোটাভাইরাস ঝুঁকি, টিকা আছে, তবু সরকারি কর্মসূচিতে নেই: ফারিয়া এজাজের কলাম

আজকের পত্রিকায় ফারিয়া এজাজ লিখেছেন, আইসিডিডিআরবির হিসাবে দেশে বছরে আড়াই থেকে ৩ হাজার শিশু রোটাভাইরাসে মারা যায়; ১৩২টি দেশ টিকাটি জাতীয় কর্মসূচিতে নিলেও বাংলাদেশে এক ডোজের দাম ২,৯৯৩ টাকা, সরকারিভাবে দেওয়া হয় না।

আজকের পত্রিকা১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

নিঃসরণ ০.০৫ শতাংশ, ক্ষতি পাহাড়সম: নেপালের শিক্ষায় অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চান রাকিব হোসেন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির পিএইচডি গবেষক রাকিব হোসেন লিখেছেন, বিশ্বের কার্বন নিঃসরণে মাত্র ০.০৫ শতাংশ অবদানের নেপাল যেমন বারবার দুর্যোগের দাম দিচ্ছে, বাংলাদেশও তেমনি; তাই ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন দরকার।

ঢাকা পোস্ট১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)