সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৬°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

কালীগঞ্জে নেক ব্লাস্টে নষ্ট হচ্ছে ধান

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ধানের নেক ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। এতে ধানের শীষ শুকিয়ে যাচ্ছে। কয়েক দিনের ব্যবধানে এসব ক্ষেতের ধানে এ রোগ দেখা দেয়। বিশেষ করে ব্রি-৬৩ ধানে এ রোগ বেশি দেখা দিয়েছে। কিছু কিছু ২৮ ধানের ক্ষেতেও এ রোগ দেখা দিয়েছে।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ধানের নেক ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। এতে ধানের শীষ শুকিয়ে যাচ্ছে। কয়েক দিনের ব্যবধানে এসব ক্ষেতের ধানে এ রোগ দেখা দেয়। বিশেষ করে ব্রি-৬৩ ধানে এ রোগ বেশি দেখা দিয়েছে। কিছু কিছু ২৮ ধানের ক্ষেতেও এ রোগ দেখা দিয়েছে।

অনেকে ঋণ ও ধার-দেনা করে চাষ করেছেন। ধান নষ্ট হয়ে যাওয়া তারা এখন দিশেহারা। চলতি ইরি মৌসুমে উপজেলায় ১৫ হাজার ৭১৫ হেক্টর জমিতে ধানের চাষ হয়েছে। এরমধ্যে ব্রি-ধান ৬৩ চাষ হয়েছে ৩ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে। তবে এ রোগ দেখা দিলে ট্রাইসাইক্লাজল গ্রুপের ট্রুপার স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলার রায়গ্রাম ইউনিয়নের খামারমুন্দিয়া গ্রামের মাঠে তরিকুল ইসলামের ১ বিঘা, দলিল উদ্দীনের ১ বিঘা, মোমিন উদ্দীনের ২ বিঘাসহ বেশ কিছু জমির ধান হঠাৎ শুকিয়ে যাচ্ছে। একইভাবে রায়গ্রামের মাঠে তপন কুমার মন্ডলের ৮ শতক ও পরিতোষ ঘোষের এক একর জমির ধান শুকিয়ে যাচ্ছে। এদিকে শিমলা-রোকনপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের মনজের আলীর ২ বিঘা ধান শুকিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টিতে ধানের পোকা দমনে করণীয় রায়গ্রাম ইউনিয়নের খামারমুন্দিয়া গ্রামের কৃষক দলিল উদ্দীন বলেন, 'চলতি ইরি মৌসুমে ২ বিঘা জমিতে ধান চাষ করি। এরমধ্যে এক বিঘা জমিতে ব্রি-ধান ৬৩ ছিল। কয়েকদিন আগে দেখি কিছু ধানের শীষ সাদা হয়ে যাচ্ছে। এসময় স্থানীয় কীটনাশক ও সার ব্যবসায়ীর পরামর্শে ওষুধ স্প্রে করি। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। কয়েকদিনে মধ্যে জমির সব ধান সাদা হয়ে গেছে। এখন ওই জমিতে আর একটি ধানও হবে না। এলাকার কৃষি কর্মকর্তাকে চিনি না। তাকে কখনো মাঠে আসতে দেখিনি।'

একই মাঠের কৃষক রালন হোসেন বলেন, 'আমার এক বিঘা জমির ধান হঠাৎ শীষে পচন ধরে নষ্ট হয়ে গেছে।' মনোহরপুর গ্রামের কৃষক মনজের আলী বলেন, 'এ বছর আমি দুই বিঘা জমিতে ২৮ ও ৬৩ ধান চাষ করি। হঠাৎ ধানের শীষে পচন ধরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অর্ধেকের বেশি ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এখন কী করবো বুঝতে পারছি না। কৃষি অফিসাররাও আমাদের কোনো খোঁজ-খবর নেন না।'

আরও পড়ুন: ধানের ব্লাস্ট রোগ দমনে যা করবেন মেগুরুখদ্দা গ্রামের কৃষক ইমদাদ হোসেন বলেন, 'আমার জমির পাশে তপন কুমার মন্ডল নামে এক কৃষক ৮ শতক জমিতে ২৮ ধান করেছিলেন। গত কয়েকদিনে জমির সব ধান লাল হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।'

রায়গ্রাম ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাকারিয়া রায়হান বলেন, 'আমি এখন মিটিংয়ে আছি। অতিরিক্ত গরমে কারণে ধানের এমন হচ্ছে। আমি কাল বিষয়টি দেখবো।' কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহবুব আলম রনি বলেন, 'কোনো কৃষক এখনো জানাননি। গরমের কারণে এমনটি হতে পারে। অথবা ছত্রাকের কারণেও ধানে পচন ধরে শুকিয়ে যেতে পারে।'

পচন রোগ দেখা দিলে ট্রাইসাইক্লাজল গ্রুপের ট্রুপার স্প্রে করার পরামর্শ দেন তিনি। কৃষকদের সঙ্গে আপনাদের নিয়মিত যোগযোগ নেই এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, 'দেখেন কৃষক অনেক, কারো সাথে দেখা না হওয়াটাও স্বাভাবিক।'

আরও পড়ুন: বৃষ্টিপাতের জন্য বিশেষ কৃষি আবহাওয়া পরামর্শ

ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আজগর আলী বলেন, 'এ ঘটনা আমার জানা নেই। এখনো কোনো কৃষক আমাদের কাছে এমন অভিযোগ করেননি। কোন এলাকায় এমন ঘটেছে একটু জানান, আমি সেখানকার অফিসারদের বিষয়টি জানিয়ে দেব।'

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ/এসইউ/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

রোগ প্রতিরোধী সয়াবিনের জাত উদ্ভাবনে গাকৃবি ও জাপানের জিরকাসের গবেষণা চুক্তি

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাপানের জিরকাস সয়াবিনের রাস্ট ও লিফ ব্লাইট নিয়ে গবেষণা করবে এবং নন-জিএম রোগ প্রতিরোধী জাত দেশের মাঠে যাচাই করবে।

আমার দেশ৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

কুড়িগ্রামে থোড় আসার আগেই শুকিয়ে যাচ্ছে আমনের গাছ, মিলিবাগে শঙ্কায় কৃষক

রাজারহাট, উলিপুর ও সদরের আমন ক্ষেতে পাতা বিবর্ণ হয়ে গাছ শুকাচ্ছে; কৃষি বিভাগ মিলিবাগ, খরা ও অতিরিক্ত সারকে কারণ হিসেবে দেখছে, আক্রান্ত জমির পরিমাণ এখনো নির্দিষ্ট হয়নি।

সমকাল৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

মিরসরাইয়ে মাচায় অসময়ের তরমুজ, ২০০ শতকে ১০ লাখ টাকা লাভের আশা

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খৈয়াছরায় সাত কৃষক প্রায় ২০০ শতকে মালচিং ও চার জাতের অসময়ের তরমুজ করেছেন; ৬০ থেকে ৭০ দিনে ফলন পেয়ে কেজিতে ৭০ থেকে ১১০ টাকা দর পাচ্ছেন।

জাগো নিউজ ২৪৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)