সয়াবিনের রোগ প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবন এবং প্রয়োজনভিত্তিক ছত্রাকনাশক ব্যবহারে পরিবেশবান্ধব রোগ ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি) ও জাপানের আন্তর্জাতিক কৃষিবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র (জিরকাস) গবেষণা চুক্তি করেছে। গত বুধবার উপাচার্যের কার্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি.কে.এম. মোস্তাফিজুর রহমান এবং জিরকাসের প্রোগ্রাম পরিচালক ড. কেইসুকে ওমোরি এতে সই করেন।
চুক্তির আওতায় এশিয়ান সয়াবিন রাস্ট ও সারকোস্পোরা লিফ ব্লাইটের বিস্তার, রোগজীবাণুর বৈশিষ্ট্য, ছত্রাকনাশক প্রতিরোধক্ষমতা এবং কৃষকদের প্রচলিত ব্যবস্থাপনা নিয়ে গবেষণা হবে।
জিরকাস ও দক্ষিণ আমেরিকার সহযোগী প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত জিনগতভাবে পরিবর্তিত নয় (নন-জিএম) এমন রোগ প্রতিরোধী জাত বাংলাদেশের মাঠে মূল্যায়ন করা হবে। রোগ প্রতিরোধ, অভিযোজন ও বাণিজ্যিক নিবন্ধনের সম্ভাবনাও যাচাই হবে। উপযোগী জাত না পাওয়া গেলে নতুন জাতের প্রজনন কার্যক্রম নেওয়া হবে।
উপাচার্য বলেন, প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে সয়াবিন উৎপাদন বাড়ানো ও আমদানিনির্ভরতা কমানো এখন সময়ের দাবি। এই সহযোগিতার সুফল কৃষকের উৎপাদন ও আয় বাড়ানো থেকে দেশের পুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তায় পৌঁছাবে বলে তিনি আশা করেন।
দুই প্রতিষ্ঠানের এক দশকের বেশি সময়ের সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় এই চুক্তি। গাকৃবির কৃষিতত্ত্ব বিভাগের উদ্ভাবিত ছয়টি সয়াবিন জাত এখন নোয়াখালী, ভোলা, লক্ষ্মীপুরের চরসহ বিভিন্ন জেলায় প্রায় ৬৮ হাজার হেক্টরে চাষ হচ্ছে।
প্রকল্পের প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মো. মোতাহের হোসেন। সমন্বিত রোগ ব্যবস্থাপনার অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সুফল মূল্যায়ন করে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় ও রোগজনিত ক্ষতি কমানোর কৌশল ঠিক করা হবে।
ছবি: H. Zell / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: আমার দেশ




মন্তব্য
(০)