সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

মাগুরার বাজারে দেশি জামের ছড়াছড়ি, ক্রেতাদের ভিড়

গ্রীষ্মের শেষভাগ ও বর্ষার শুরুতেই দেশের বিভিন্ন এলাকার বাজারে দেশি জামের দেখা মিলছে। রসালো এই ফল এখন বাজারে ছড়াছড়ি। স্বাদ, পুষ্টিগুণ এবং তুলনামূলক কম দামের কারণে অনেকেই ঝুঁকছেন দেশি জামের দিকে।

গ্রীষ্মের শেষভাগ ও বর্ষার শুরুতেই দেশের বিভিন্ন এলাকার বাজারে দেশি জামের দেখা মিলছে। রসালো এই ফল এখন বাজারে ছড়াছড়ি। স্বাদ, পুষ্টিগুণ এবং তুলনামূলক কম দামের কারণে অনেকেই ঝুঁকছেন দেশি জামের দিকে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে মাগুরার সরকারি হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফলের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

শহর ও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন আকার ও মানভেদে জাম বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন দামে। বিক্রেতারা বলছেন, এ বছর ফলন ভালো হওয়ায় বাজারে জামের সরবরাহও পর্যাপ্ত। ফলে ক্রেতারা সহজেই তাদের চাহিদামতো জাম কিনতে পারছেন।

জাম ক্রেতারা আজীজ শেখ বলেন, গরমের সময়ে জাম তাদের প্রিয় ফলগুলোর একটি। জামের স্বাদ যেমন ভালো, তেমনি এটি পরিবারের সবাই পছন্দ করে। তাই বাজারে এলেই কিছু জাম কিনে নিয়ে যাই। শুধু স্বাদের জন্য নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও জাম উপকারী বলে শুনেছি। তাই মৌসুমে নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করি।

কয়েকজন অভিভাবক জানান, শিশুদের মধ্যে ফল খাওয়ার আগ্রহ বাড়াতে তারা জাম কিনে থাকেন। রঙ ও স্বাদের কারণে শিশুরাও জাম খেতে পছন্দ করে।

দক্ষিণ মির্জাপুরের জাম বিক্রেতা সাজ্জাদুল ইসলাম বলেন, আমি এলাকার থেকে গাছ কিনে এনে শহরে জাম বিক্রি করি, প্রতিদিনই ভালো বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে বিকেলের দিকে ক্রেতার সংখ্যা বেড়ে যায়। অনেকেই একসঙ্গে পরিবারের জন্য বেশি পরিমাণে জাম কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। জামের কেজি ২০০ টাকা এবং ১৫০ টাকা বিক্রি করছি।

ইছেখাদা আরেক জাম বিক্রেতা জিলীল উদ্দীন বলেন, দেশি জামের চাহিদা সব সময়ই থাকে। বাজারে ভালো মানের জাম এলে দ্রুত বিক্রি হয়ে যায়। তবে গ্রাম থেকে কিনে এনে বিক্রি করে অল্প কিছু লাভ হয় তবুও চলে যাচ্ছে।

স্বাদ, পুষ্টিগুণ এবং সহজলভ্যতার কারণে দেশি জাম এখন বাজারের অন্যতম জনপ্রিয় ফল। বাজারে সরবরাহ ভালো থাকায় ক্রেতারাও স্বস্তিতে কিনছেন এই মৌসুমি ফল।

চিকিৎসকদের মতে, পরিমিত পরিমাণে জাম খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। তাই মৌসুমজুড়ে দেশি জামের কদর আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জামের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা হলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিক্যালের প্রভাব কমাতে ভূমিকা রাখে।

গাইনি বিশেষজ্ঞ অন্যা শাখারী বলেন, জাম পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ একটি ফল। নিয়মিত সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে এটি খাওয়া যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো বিশেষ স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা উচিত। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। শরীরকে সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখতে ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও বলেন, মৌসুমি ফল হিসেবে জাম খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে যেকোনো ফলের মতো এটিও পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমে।

মো. মিনারুল ইসলাম জুয়েল/এনএইচআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

চায়ের জেলা মৌলভীবাজারে বাড়ছে লেবু চাষ, বছরে প্রায় ১১,৯২০ টন

জেলায় ১,২৪০ হেক্টরে লেবু চাষ হচ্ছে; শ্রীমঙ্গলে পাঁচ বছরে আবাদ বেড়েছে ১০০ হেক্টর, পাইকারি দর এখন প্রতি পিস ১৫-৩৫ টাকা, তবে রপ্তানি এখনো শুরু হয়নি।

কৃষি সময়২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

পাবনার গোয়ালঘরে রাসায়নিকে ২৪ ঘণ্টায় কলা পাকানো, ১২ হাজার কলা ধ্বংস

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মালিগাছার রাখালগাছিতে অপরিপক্ব কলায় নিষিদ্ধ রাসায়নিক দিয়ে পাকানোর কারবার ধরে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে; একই দিনে ২৭ জেলায় ৭২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা।

বাংলা নিউজ ২৪২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

স্ক্যাব রোগে কাশ্মীরের ভালো আপেল কম, উৎসবের চাহিদা মেটাতে পারছে না মান্ডি

চাষি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্ক্যাব রোগ ছড়িয়ে পড়ায় এখন মান্ডিতে আসা কাশ্মীরি আপেলের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বি ও সি গ্রেডের, অথচ দিওয়ালির আগে এ গ্রেডের উপহার প্যাকের চাহিদা ভালো।

ইকোনমিক টাইমস১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)