দিওয়ালির আগে ভারতের বিভিন্ন টার্মিনাল বাজারে কাশ্মীরি আপেলের ভালো চাহিদা থাকলেও জোগান কম পড়ছে। এ বছর ছত্রাকজনিত স্ক্যাব রোগে ফসলের বড় একটি অংশ নষ্ট হয়েছে বলে চাষি ও ব্যবসায়ীরা বার্তা সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন; ১ নভেম্বর ইকোনমিক টাইমস প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।
কাশ্মীর ফ্রুট গ্রোয়ার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জহুর আহাদ তান্ত্রে (Zahoor Ahad Tantray) বলেন, চাহিদা খুব ভালো, বিশেষ করে উপহার প্যাকে বিক্রি হওয়া বড় আকারের এ গ্রেডের আপেলের। কিন্তু ফলের মান্ডিতে জোগান যথেষ্ট নয়, কারণ এ মৌসুমে প্রাথমিক ও দ্বিতীয় পর্যায়ের স্ক্যাব দুটোই ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে এবং ফলের মান অনেক নেমে গেছে।
তাঁর হিসাবে এখন যত আপেল আসছে, তার প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ, কোথাও ৬০ শতাংশ পর্যন্ত, বি ও সি গ্রেডের, যার চাহিদা খুবই কম। চাষির লোকসান দুই দিক থেকে: গ্রেড যা-ই হোক উৎপাদন খরচ একই, অথচ ভালো দাম মেলে শুধু এ গ্রেডে। তান্ত্রের ভাষায়, চাষি, ব্যবসায়ী, ক্রেতা সবাই দুশ্চিন্তায়।
বিহারের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সোহেল তানভীর (Mohammad Sohail Tanveer) অবশ্য দামে সন্তুষ্ট। তিনি জানান, কাঠের একটি ক্রেট বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১,৩০০ রুপিতে, পিচবোর্ডের কার্টন ৬০০ রুপি পর্যন্ত, আর ওই মান্ডি থেকে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ ট্রাক আপেল বেরোচ্ছে।
ছবি: Revoshots / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: ইকোনমিক টাইমস (পিটিআইয়ের প্রতিবেদন)





মন্তব্য
(০)