সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

‘বাড়ি থেকে বউ ফোন দিচ্ছে গরু নিয়ে ফিরে আসো’

কোরবানির পশুর হাটে আগুন লেগেছে খবর শুনে গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে সাতটি গরু নিয়ে কাজলা-শনির আখড়ায় আসেন ব্যাপারি মজনু। একইভাবে, কাঁচপুর থেকে চারটি গরু নিয়ে হাটে আসেন মাহবুবুর রহমান। এখনো একটি গরুও বিক্রি করতে পারেননি তারা। তাদের অভিযোগ দাম কম বলছেন ক্রেতারা। তাই বিক্রি না করে অপেক্ষা করছেন তারা।

কোরবানির পশুর হাটে আগুন লেগেছে খবর শুনে গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে সাতটি গরু নিয়ে কাজলা-শনির আখড়ায় আসেন ব্যাপারি মজনু। একইভাবে, কাঁচপুর থেকে চারটি গরু নিয়ে হাটে আসেন মাহবুবুর রহমান। এখনো একটি গরুও বিক্রি করতে পারেননি তারা। তাদের অভিযোগ দাম কম বলছেন ক্রেতারা। তাই বিক্রি না করে অপেক্ষা করছেন তারা।

কাচঁপুর থেকে আসা মাহবুবুর রহমান চারটির মধ্যে একটি কালো রংয়ের ষাঁড় দেখিয়ে জাগো নিউজকে বলেন, 'এই ষাঁড় কিনেছি এক লাখ ১০ হাজার টাকায়। এখন দাম বলে ৭০ হাজার টাকা। পাশে কালো রংয়ের দুটো ষাঁড় দেখিয়ে বলেন, গতকাল এই দুটো ৭৫ হাজার করে দেড় লাখ টাকা দিতে চেয়েছিল একজন ক্রেতা। কিন্তু বিক্রি করিনি আজকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম উঠছে। বেশি দামের কথা শুনে বাজারে এসে এখন মনে হচ্ছে ভোগান্তিতে পড়েছি। বাড়ি থেকে বউ ফোন দিচ্ছে গরু নিয়ে ফিরে আসো। তবে আমি সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করে দেখবো বিক্রি করা যায় কি না।'

বুধবার (২৭ মে) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত রাজধানীর কাজলা ও শনির আখড়া কোরবানির পশুহাট ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

হাটে এখনো পশুর সরবরাহে ঘাটতি নেই, কিন্তু ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে দামের ব্যবধান যেন আকাশ পাতাল। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে কাদা-পানির দুর্ভোগ,,যানবাহনের হর্ণ। ফলে কোরবানির উৎসবের আবহের পাশাপাশি বাড়ছে অস্বস্তিও।

সাতটি ষাঁড় নিয়ে আসা মজনু একটি বড় সাইজের লাল ষাঁড় দেখিয়ে জাগো নিউজকে বলেন, এটা কিনে এনেছি এক লাখ ৫২ হাজার টাকায়। এখানে দাম বলছে এক লাখ পঁচিশ হাজার টাকা। গতকাল বিকেলে ঢাকায় গরুর বাজারে আগুন। বিশেষ করে কাজলা-শনির আখড়া বাজারে গরুর দাম বেশি এমন তথ্য জানানোর পর স্থানীয় বাজার কাপাসিয়া থেকে সাতটি গরু নিয়ে এখানে বেঁধে রেখেছি। গরু আনতে খরচ হয়েছে ১৯ হাজার টাকা। আমরা তিনজন মানুষ এসেছি খাওয়া-দাওয়া সব মিলে খরচ বাড়ছে। কিন্তু গরুর কাঙ্ক্ষিত দাম মিলছে না। আরও একটি ষাঁড় দেখিয়ে বলেন, এটার দাম এক লাখ ৫৯ হাজার টাকা। প্রতি গরুতে ১৫ ২০-২৫ হাজার টাকা কম দাম বলছে। দাম যেহেতু কম সন্ধ্যা পর্যন্ত দেখে গরু নিয়ে বাড়ি ফিরে যাবো বিক্রি করবো না। কারণ গরুর বয়স কম এসব গরু আরও বড় হবে দামও বাড়বে।

একই সঙ্গে কাপাসিয়া থেকে আসা রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, চারটি গরু নিয়ে বাজারে এসেছিলাম। তিনটি কেনা আর নিজের গোয়ালের একটি। গোয়ালের গরুর দাম নিয়ে কোনো চিন্তা নেই তাই এক লাখ পঁচিশ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি। কিন্তু বাকি তিনটি গরুতে কম দাম বলছে তাই বিক্রি করার সাহস পাচ্ছি না।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

মতামত

ভেটেরিনারি সার্জন নিয়োগে বিশেষ বিসিএসের পক্ষে দুই বিশেষজ্ঞের যুক্তি

ইত্তেফাকে প্রফেসর ড. মো. বাহানুর রহমান ও ডা. আর এস মাহমুদ হাসান লিখেছেন, প্রতি উপজেলায় চারজন ভেটেরিনারি সার্জন ও প্রতি ইউনিয়নে একজন ভেটেরিনারিয়ান নিয়োগের ঘোষণা কাজে লাগাতে তথ্যভিত্তিক জনবল পরিকল্পনা ও বিশেষ বিসিএস দরকার।

ইত্তেফাক১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

ওজন কমানোর ওষুধে বদলাচ্ছে মার্কিন বাজার, চাহিদা বাড়ছে মুরগি আর অল্প পরিমাণ ভালো গরুর মাংসে

কোব্যাংকের অর্থনীতিবিদ ব্রায়ান আর্নেস্ট বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চার পরিবারের একটিতে জিএলপি-১ ওষুধ সেবনকারী আছেন; তাঁরা আমিষবহুল মুরগি আর ছোট পরিমাণের ভালো মানের গরুর মাংস বেশি কিনছেন।

মিশিগান এজি টুডে৩১ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বন্যার আগেই সহায়তা: দক্ষিণ সুদানে এফএও ও ডব্লিউএফপিকে ২১ লাখ পাউন্ড দিল যুক্তরাজ্য

এল নিনোর সম্ভাব্য বন্যা ও খরার আগে জঙ্গলেই, ইউনিটি ও আপার নাইলে আগাম সতর্কতা, নগদ সহায়তা, জীবিকা সুরক্ষা ও ত্রাণসামগ্রী মজুতে এই অর্থ খরচ হবে ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত।

ডব্লিউএফপি৩১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)