সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৫%বাতাস কিমি/ঘ

বিদেশি মালবেরি চাষে সফল কালীগঞ্জের মোস্তফা

গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে মালবেরি। কিছু সবুজ, কিছু লাল আর কিছু পেকে কালো হয়ে গেছে। পাতার চেয়ে ফলই যেন বেশি। উচ্চমূল্যের পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ বিদেশি এ ফল এখন চাষ হচ্ছে ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায়। পরীক্ষামূলকভাবে বিভিন্ন দেশের ৩টি জাত সংগ্রহ করে প্রথমবারেই সাফল্য পেয়েছেন উপজেলার জামালপুর ইউনি

ফসল

গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে মালবেরি। কিছু সবুজ, কিছু লাল আর কিছু পেকে কালো হয়ে গেছে। পাতার চেয়ে ফলই যেন বেশি। উচ্চমূল্যের পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ বিদেশি এ ফল এখন চাষ হচ্ছে ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায়। পরীক্ষামূলকভাবে বিভিন্ন দেশের ৩টি জাত সংগ্রহ করে প্রথমবারেই সাফল্য পেয়েছেন উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চুপাইর গ্রামের মো. মোস্তফা মোল্লা (৪০)। পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করলেও ভালো ফলন দেখে বাণিজ্যিকভাবে চাষের পরিকল্পনা করছেন তিনি।

জানা গেছে, মোস্তফার মালবেরি গাছগুলোর পাতা ডিম্বাকার, চমৎকার খাঁজযুক্ত আর সূচালো অগ্রভাগ। আকারে আঙুরের চেয়ে কিছুটা ছোট এ ফল। প্রথমে ফলটি থাকে সবুজ, পরে লাল হয় ধীরে ধীরে। সম্পূর্ণ পেকে গেলে তা কালো রং ধারণ করে। দেখতে আকর্ষণীয় এ ফল পাকলে রসাল ও টক-মিষ্টি স্বাদের। প্রতিটি গাছ থেকে ৮-১০ কেজি সংগ্রহ করা যায়। তৈরি করা যায় চারাও। খুব সহজেই ছাদেও চাষ করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: লবণাক্ত মাটিতে কেনাফ চাষে সফলতার আশা

মালবেরি চাষ সম্পর্কে কৃষক মোস্তফা বলেন, 'ফলটি বিদেশে বাণিজ্যিকভাবে চাষ এবং বাজারজাত করা হয়। বাজারে এর চাহিদাও ব্যাপক। আমি পরীক্ষামূলকভাবে থাইল্যান্ড, ভারত ও পাকিস্তান থেকে ৩টি জাত সংগ্রহ করে চাষ করেছি। পরীক্ষামূলক হলেও প্রতিটি গাছেই প্রচুর ফল ধরেছে।'

তিনি বলেন, 'মালবেরি চাষে রোগবালাই খুবই কম। কীটনাশক তেমন লাগে না। উৎপাদন খরচও কম। শুধু জৈব সার দিলে প্রায় সারাবছরই ফল পাওয়া যায়। যেহেতু মালবেরি একটি আমদানি নির্ভর ফল, তাই বাজারেও এর প্রচুর চাহিদা আছে। ঢাকাসহ অন্য বিভাগীয় শহরের সুপারশপে বিক্রি হয় প্রায় ৪-৫ হাজার টাকা কেজি দরে।'

আরও পড়ুন: ভারতীয় মিষ্টি আঙুর চাষে সফল লাভলী

মোস্তফা আরও বলেন, 'আমি ২৫টি চারা দিয়ে শুরু করি। তখন ৩শ টাকা করে চারা কুরিয়ারের মাধ্যমে সংগ্রহ করি। তবে আমি বেশি দামে চারা কিনলেও এখন তা মাত্র ৩০ টাকায় বিক্রি করছি। প্রাকৃতিক হরমোন পুরাতন মধুর মধ্যে চুবিয়ে মাটিতে পুতে রাখলেই হয়। সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে গাছ লাগানোর পরের মাসেই ফল পাওয়া যায়।'

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, মালবেরি অর্থাৎ তুঁত ফল স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য পাকা তুঁঁত ফল উপকারী। এ ছাড়া পাকা ফলের টক-মিষ্টি রস পিত্ত, দাহ, কফ ও জ্বর নাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তুঁত গাছের ছাল ও শিকড়ের রস কৃমিনাশক। এটি ঠান্ডা লেগে জ্বর কিংবা কাশি হলে অত্যন্ত উপকারী।'

আরও পড়ুন: শাপলা ও পদ্মফুল চাষে মাসে আয় ৫০ হাজার টাকা

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফারজানা তাসলিম বলেন, 'মোস্তফা মোল্লা একজন সফল খামারি। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই সবুজ ঘাস চাষ করেন। পাশাপাশি শখের বসে ৩টি জাতের ২৫টি মালবেরি চারা রোপণ করেন। প্রতিটি গাছ থেকে ৮-১০ কেজির মতো ফল পাওয়া যাবে। তবে এ উপজেলার মাটি মালবেরি চাষের জন্য কতটুকু উপযোগী এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গবেষণা করছে।'

আব্দুর রহমান আরমান/এসইউ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

বন্যার ধকল পেরিয়ে চট্টগ্রামে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬০ হেক্টরে আমন, লক্ষ্যের প্রায় শতভাগ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে চট্টগ্রামে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮০ হেক্টর লক্ষ্যের বিপরীতে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬০ হেক্টরে আমন রোপণ শেষ; কক্সবাজারে ৯৯ শতাংশ, ফেনীতে ৬৬ হাজার ৮৩৭ হেক্টর, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর লক্ষ্য ছাড়িয়ে; অনুকূল বৃষ্টি, সময়মতো চারা ও বন্যা-পরবর্তী সরকারি সহায়তাকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন কর্মক

বাসস২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আবাদি জমির মাত্র ১২ শতাংশে বিশ্বের অর্ধেক ক্ষুদ্র কৃষকই ২০৫০-এ বাড়তি ১৫০ কোটি মানুষের খাদ্য জোগাতে পারেন: নতুন বই

‘হোল আর্থ ফার্মিং’ বইয়ে হাইতির স্মলহোল্ডার ফার্মার্স অ্যালায়েন্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা হিউ লক (Hugh Locke) যুক্তি দিয়েছেন, গ্লোবাল সাউথের ৪৭ কোটি ৫০ লাখ ক্ষুদ্র খামারের প্রায় ২৪ কোটিকে পুনরুৎপাদনশীল কৃষি ও কৃষিবনায়নে নিলে ২০৫০ সালের বাড়তি খাদ্যচাহিদার পুরোটা মেটানো যাবে, মাটি ফিরবে, আর বছরে ০.৭২ গিগ

ডাউন টু আর্থ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

রেকর্ড শক্তিশালী এল নিনো আসছে, তবু অস্ট্রেলিয়ায় খরা অনিবার্য নয়: আবহাওয়া ব্যুরো

মডেল বলছে চলতি এল নিনো ১৯৮২–৮৩-কে ছাড়িয়ে যেতে পারে, মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের ৩ ডিগ্রির বেশি ওপরে উঠতে পারে; কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ব্যুরো অব মিটিওরোলজির ব্যাখ্যা, আপাতত নিরপেক্ষ ভারত মহাসাগর দ্বিমেরু, উষ্ণ সাগর ও দীর্ঘমেয়াদি উষ্ণায়নও বসন্ত-গ্রীষ্ম গড়ে দেবে; জলাধা

Beef Central২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()