মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, খাবারের মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ মানবদেহে ঢোকায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের (এএমআর) ঝুঁকি বাড়ছে, আর তা ঠেকাতে নবীন কর্মকর্তাদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
রোববার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ৪৫তম বিসিএস মৎস্য ও পশুসম্পদ ক্যাডারে নতুন যোগ দেওয়া কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তাঁর মতে, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে শুধু মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম নয়, উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণও নিরাপদ হতে হবে।
নবীন কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার কর্মজীবন প্রায় ২৫ থেকে ৩২ বছর, ফলে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে তাঁদের দীর্ঘ সময় কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে হবে এবং আইন ও নিয়মকানুন মেনে নৈতিকতার সঙ্গে রাষ্ট্রের প্রত্যাশা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মৎস্য ক্যাডারের ২৫ জন ও পশুসম্পদ ক্যাডারের ২১ জন নবীন কর্মকর্তা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
খামারে ও ঘেরে অ্যান্টিবায়োটিক কীভাবে দেওয়া হচ্ছে, মাঠপর্যায়ে তা দেখার দায়িত্ব মূলত এই কর্মকর্তাদের। প্রতিবেদনটি ডেইলি বাংলাদেশের নিজস্ব প্রতিবেদকের।
ছবি: Press Information Department / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ





মন্তব্য
(০)