সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬৬%বাতাস কিমি/ঘ

সাতক্ষীরায় নির্বিচারে অতিথি পাখি শিকার, নিষ্ক্রিয় প্রশাসন

প্রতিবছর শীতের শুরুতেই সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নেয় পরিযায়ী পাখি। তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, রক্ত জমাট ঠাণ্ডার দেশ থেকে একটু উষ্ণতার খোঁজে এদেশে এসে শিকারীদের কবলে পড়ছে পাখিগুলো।

পরিবেশ

প্রতিবছর শীতের শুরুতেই সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নেয় পরিযায়ী পাখি। তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, রক্ত জমাট ঠাণ্ডার দেশ থেকে একটু উষ্ণতার খোঁজে এদেশে এসে শিকারীদের কবলে পড়ছে পাখিগুলো।

সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলায় রাতের আঁধারে ফাঁদ পেতে মারা হচ্ছে অতিথি পাখি। শিকারের কৌশল হিসেবে বিলের মধ্যে ধানক্ষেত বা মাছের ঘেরের পানিতে বাঁশ পুঁতে রেখে ফাঁস জাল টানিয়ে রাখা হয়। আবার কখনো বিলের মধ্যে লোহার চিকন তার দিয়ে পাতা হয় ফাঁদ।

গভীর রাত আর কুয়াশা ঢাকা ভোরে এসব ফাঁদে বেঘোরে প্রাণ হারায় পাখিরা। আর সুযোগ বুঝে ধারেকাছে ওঁৎ পেতে থাকা শিকারীরা ফাঁদে আটকে পড়া পাখিগুলোকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। এসব ফাঁদ ছাড়াও বিশেষ এক ধরনের সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করেও পাখি ধরা হচ্ছে। এ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে ইয়ারগানও।

অব্যাহত নিধনের ফলে জেলার আশ্রয়স্থলগুলো এখন অতিথি পাখিদের জন্য অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে প্রকৃতিতে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফাঁদ পেতে পাখি মারা হচ্ছে সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের গোয়ালপোতা বিল, খড়িয়াডাঙা বিল, ধুলিহর এলাকার আছানডাঙা বিল, কোমরপুর বিল, এল্লাচর ও বকচরায়। আর আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলার ঘেরগুলোতে, কলারোয়া ও তালাসহ সীমান্তবর্তী এলাকার বিলগুলোতেও বিভিন্ন পদ্ধতিতে চলছে পাখি শিকার।

প্রতিরাতে সাতক্ষীরা সদরের খড়িডাঙ্গা বিলে বিশেষ সাউন্ড সিস্টেম, ফাঁস জাল ও ইয়ারগান ব্যবহার করে পাখি শিকার করছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

প্রশাসনের যথাযথ হস্তক্ষেপ না থাকায় দিনে দিনে বেড়ে চলেছে এই অপরাধ প্রবণতা।

তালা উপজেলার নওয়াপাড়া , ধলবাড়ীয়া, কলিয়া ও লক্ষণপুর গ্রামের মাঝখানে বাগের বিল অবস্থিত। এই বিলের অন্তত চারটি পয়েন্টে ফাঁস জাল ও লোহার তারের বিশেষ ফাঁদ পেতে পরিযায়ী ও নিশাচর পাখি ধরতে দেখা গেছে শীত শুরু হতে না হতেই। উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের টিআরএম প্রকল্পের পাখিমারা মধুখালি বিলে টানানো হচ্ছে কারেন্ট জাল।

বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ অনুযায়ী পরিযায়ী পাখি শিকার অথবা হত্যা করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ এক লাখ টাকার অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

তবে জেলায় সে আইনের তেমন কোনো প্রয়োগ চোখে পড়েনি। স্থানীয় প্রশাসন সচেষ্ঠ হলে পাখিগুলোকে বাঁচানো সম্ভব বলে মনে করছেন পরিবেশ আন্দোলন কর্মীরা।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল বলেন, 'অতিথি পাখি শিকার দণ্ডনীয় অপরাধ। শীত মৌসুমে এই অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যায়। তবে ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসনেকে বিষয়টি বলা হয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'ওই বিলগুলোতে প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়া, যারা পাখি শিকার করেন তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সকল পাখি শিকারীকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় আনা হবে।'

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

ফসল

তিন নিওনিকোটিনয়েড কীটনাশক আকাশ থেকে ছিটানো নিষিদ্ধ করতে কৃষি মন্ত্রণালয়কে ১৮০ দিন দিল ব্রাজিলের আদালত

ইমিডাক্লোপ্রিড, ক্লোথিয়ানিডিন ও থায়ামেথক্সামের ইবামা পুনর্মূল্যায়ন বছরের পর বছর কার্যকর না হওয়ায় টিআরএফ৩ প্যানেল 'প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা' দেখেছে; ফিপ্রোনিলের পর্যালোচনা শেষ করতে ইবামার হাতে ৩৬০ দিন।

AgroPages২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

গারো পাহাড়ের সামাজিক বনায়নে ২৫ হাজার আকাশমণি উধাও, ২৫ অংশীদারের ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি

শেরপুরের নালিতাবাড়ীর মধুটিলা রেঞ্জের দাওধারা-কাটাবাড়ি মৌজায় ২০১৭-১৮ সালে সৃজিত বাগানের প্রায় সব গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে; অংশীদারেরা বলছেন বন বিভাগ চাইলে ঠেকানো যেত, রেঞ্জ কর্মকর্তা অবগত নন বলছেন, আর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তদন্ত কমিটির কথা জানিয়েছেন।

কৃষি সময়২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

খরায় ৫ লাখ টন খড়ের ঘাটতি: ভার্জিনিয়ায় জরুরি অবস্থা, আগেভাগেই শীতের খড় খাওয়াতে বাধ্য খামারিরা

গভর্নর অ্যাবিগেল স্প্যানবার্গারের নির্বাহী আদেশ ২১-এ ১ অক্টোবর থেকে খড় পরিবহনে অতিরিক্ত-প্রস্থ ছাড়, জরুরি তহবিল ও মূল্য-কারসাজি প্রতিরোধ চালু; এক্সটেনশনের হিসাবে অঙ্গরাজ্যে খড়ের ফলন ৩৫ শতাংশ কম।

Morning Ag Clips২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()