ভারতের মহারাষ্ট্রে খরার মধ্যে ঋণের কিস্তির জন্য কৃষকদের হয়রানি করলে অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও আদায়কারীদের বিরুদ্ধে পুলিশে মামলা হবে। মঙ্গলবার এ কথা জানান রাজ্যের রাজস্বমন্ত্রী চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে (Chandrashekhar Bawankule)। রুরাল ভয়েস জানিয়েছে, নান্দেডের একটি ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এ নির্দেশ দেন।
বাওয়ানকুলের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার খরা ত্রাণ উপকমিটির বৈঠকের পর তিনি খরাকবলিত ৩০৪টি তালুকের কৃষক ও গ্রামবাসীর জন্য নানা পদক্ষেপের কথা জানান।
পশুখাদ্য কেনা ও চাষের তদারকি করবেন জেলা প্রশাসকেরা। সংশোধিত নিয়মে শুকনো খড় কেজিপ্রতি ১২ রুপি আর কাঁচা ঘাস কেজিপ্রতি ৮ রুপিতে দেওয়া হবে। প্রতিটি জেলায় প্রশাসকের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের কমিটি পশুখাদ্য কিনবে, স্থানীয়ভাবে চাষের ব্যবস্থা করবে এবং অন্য জেলা থেকে আনবে। বন, রাজস্ব ও পানিসম্পদ বিভাগের জমিতেও জেলা পরিকল্পনা কমিটির টাকায় ঘাস চাষ হবে, আর সিন্ধুদুর্গ ও রত্নগিরির উদ্বৃত্ত পশুখাদ্য খরা এলাকায় পাঠানো হবে।
পুকুর ও বাঁধের পলি তুলে খেতে নেওয়ার খরচও দেবে সরকার: পলি তোলায় ঘনমিটারপ্রতি ৩১ রুপি, পরিবহনে ঘনমিটারপ্রতি ৩৫ রুপি। পুকুর থেকে তোলা মাটি, মুরুম ও নুড়ি রাস্তা তৈরিতে ব্যবহার করলে রয়্যালটি মওকুফ করা হবে।
পুনে জেলার হাভেলি, মাভাল ও মুলশি, কোলহাপুরের হাতকানাঙ্গলে এবং কোঙ্কণের কিছু এলাকাকে খরার তালিকায় আনার দাবি উঠেছে। জেলা প্রশাসকদের মাঠের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরের মঙ্গলবারের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান মন্ত্রী। বিদ্যুৎ বিল বকেয়া বা সংযোগ না থাকায় বন্ধ হয়ে যাওয়া গ্রামীণ খাবার পানির প্রকল্পগুলো চালু করতেও জেলা পরিকল্পনা কমিটির টাকা দেওয়া হবে।
এর আগে প্রায় দেড় কোটি খরাকবলিত কৃষককে ৫,০০০ রুপি করে অগ্রিম সহায়তা অনুমোদন করেছে রাজ্য সরকার।
ছবি: Suhasajgaonkar (মারাঠওয়াড়ার খরা) / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: Rural Voice





মন্তব্য
(০)