দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাগালিসবার্গের দ্য ডাংকি ডেইরি (The Donkey Dairy) গাধার দুধের পণ্যে নতুন সংযোজন এনেছে: ফ্রিজ ড্রাইং করা দুধের ক্যাপসুল, সালফেটমুক্ত চুলের পণ্য ও শিশুর লোশন। প্রায় ১০ বছর ধরে তাদের পণ্য ছিল শুধু দুধ ও ক্রিম। ফার্মার্স উইকলির ভাষ্যে, দেশটিতে এই ধরনের খামার এটিই একমাত্র।
মালিক জেসি ক্রিস্টেলিস (Jesse Christelis) ২০১১ সালে জোহানেসবার্গ ছেড়ে সবজি ও ভেড়া পালন শুরু করেন। শেয়ালের হামলায় পাল ক্ষতিগ্রস্ত হলে জানতে পারেন, গাধা অন্য পশুকে পাহারা দেয়। তখন কসাইখানা থেকে দুটি মাদি গাধা বাঁচিয়ে আনেন। এরপর পালে যোগ হয়েছে আরও ১৪৫টি গাধা।
গুঁড়া দুধের দিকে যাওয়ার কারণ পরিবহন। প্লাস্টিক এড়াতে তিনি দুধ বোতলে জমিয়ে রাখতেন, কিন্তু সারা দেশে হিমায়িত অবস্থায় পাঠানো ছিল ব্যয়বহুল। জমাট দুধ ছয় মাস ভালো থাকে, কিন্তু খোলার পর তিন দিনের মধ্যে খেতে হয়। করোনাকালে সরবরাহ বন্ধ হলে খামারে অতিথি রাখার ব্যবস্থাও করেন।
তাপ দিয়ে শুকানোর পদ্ধতি তিনি নেননি; তাঁর ভাষ্য, এতে দুধের প্রোবায়োটিক গুণ ও লাইসোজাইম নষ্ট হয়। ইউরোপ ঘুরে এসে তিনি ফ্রিজ ড্রাইং যন্ত্র কেনেন, যাতে এখন ৪৮০ মিলিগ্রামের ক্যাপসুলে গুঁড়া ভরা যায়।
ক্যাপসুল নিয়ে স্বাস্থ্যের নানা দাবি করেন ক্রিস্টেলিস, তবে সেগুলো প্রকাশিত গবেষণা নয়, তাঁর নিজের পরীক্ষার ভিত্তিতে, তাই এখানে তা উল্লেখ করা হলো না। আগামী তিন বছরে পাল প্রায় ৫০০-তে নিতে চান তিনি। তাঁর কথায়, গাধা চাপে থাকলে বাঁট ভরা থাকলেও দুধ দেয় না, তাই শান্ত পরিবেশও ব্যবসার অংশ।
জেসি ক্রিস্টেলিস কথা বলেছেন ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকার ইউজিন গডার্ডের সঙ্গে।
ছবি: Lilly M / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Farmers Weekly South Africa





মন্তব্য
(০)