সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

পোকা বা রোগ নয়, খরা ও তাপে মধ্যপ্রদেশে মরেছে ২৫ হাজার সেগুন গাছ

বেতুলের ১৬,৮০০ হেক্টর বনে জিপিএস জরিপে ২৫ হাজারের বেশি পরিণত সেগুন গাছ মৃত পাওয়া গেছে। পরীক্ষায় ছত্রাক বা পোকা মেলেনি, বন কর্মকর্তারা খরাজনিত পানি পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়াকে দায়ী করছেন।

পোকা বা রোগ নয়, খরা ও তাপে মধ্যপ্রদেশে মরেছে ২৫ হাজার সেগুন গাছ
পরিবেশ

ভারতের মধ্যপ্রদেশের পশ্চিম বেতুল বন বিভাগের ১৬,৮০০ হেক্টর এলাকায় গত তিন বছরে ২৫ হাজারের বেশি পরিণত সেগুন গাছ মারা গেছে। তদন্তে পোকা বা রোগ নয়, দীর্ঘ খরা ও তাপের চাপকেই কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডাউন টু আর্থে খবরটি দিয়েছেন হিমাংশু নিতনাওয়ারে।

বেতুলের উপ-বন সংরক্ষক ও ওয়ার্কিং প্ল্যান কর্মকর্তা প্রদীপ মিশ্র (Pradeep Mishra) যৌথ বন ব্যবস্থাপনা কমিটিগুলোকে নিয়ে পশ্চিম বেতুল, সাওয়ালিগড়, চিচোলি, তাওয়াড়ি ও মোহদা রেঞ্জে প্রতিটি গাছের জিপিএস অবস্থানসহ জরিপ চালান। দক্ষিণ বেতুলেও কিছু গাছ মরেছে। মিশ্র বলেন, "বড় বড় সেগুন গাছ পুরো শুকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, অথচ ঘুণ, উইপোকা বা ছত্রাকের কোনো চিহ্ন নেই।" তাঁর ভাষায়, গত ২০ বছরে এই অঞ্চলে এত বড় পরিসরে সেগুন মরার খবর তাঁদের জানা নেই।

মৃত গাছগুলোর বেশির ভাগের বেড় ৬০-১৫০ সেন্টিমিটার, বয়স আনুমানিক ৪০ থেকে ১২০ বছর বা তারও বেশি। মৃত গাছ সুস্থ গাছের ফাঁকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, বড় ও পুরোনো গাছ বেশি আক্রান্ত, শুকনো জায়গায় মৃত্যুর হার বেশি। দক্ষিণ বেতুলে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ট্রপিক্যাল ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তদন্তে সেগুনের ডাইব্যাক রোগের ছত্রাক ফোমপসিস টেক্টোনিসহ কোনো ছত্রাক বা রোগজীবাণুর সংক্রমণ মেলেনি। তবে বর্ষায় জলাবদ্ধতা আর এপ্রিল-জুনের শুকনো মাস মিলে শিকড়ের ক্ষতি করছে কি না, সে সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।

মিশ্রের ধারণা, কারণটি হাইড্রলিক ফেইলিওর বা গাছের পানি পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়া। দীর্ঘ খরা ও তাপে শিকড় থেকে পাতায় পানি বহনকারী জাইলেম নালিতে বাতাসের বুদ্বুদ তৈরি হয়ে পানির প্রবাহ আটকে দেয়, আর ক্ষতি বেশি হলে বৃষ্টি ফিরলেও গাছ আর সেরে ওঠে না। স্যাটেলাইটের তথ্যে ২০২২-২৩ সালেই গাছপালা ও আর্দ্রতার চাপের লক্ষণ দেখা গিয়েছিল। মিশ্র জানান, ২০২৬ সালের বর্ষায় বেতুলে স্বাভাবিকের প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃষ্টি হয়েছে।

জেলার অর্থনীতিতেও এর প্রভাব আছে। মিশ্রের হিসাবে বেতুল কাঠ আহরণ থেকে বছরে ১০০ কোটি রুপির বেশি আয় করে, আর সেগুন বাণিজ্যিকভাবে পরিণত হতে ২০-২৫ বছর লাগে। ২০১০ সালের এক গবেষণায় বলা হয়েছিল, জলবায়ু বদলালে ভারতের সেগুন চাষের এলাকার প্রায় ৩০ শতাংশ অনুপযোগী হয়ে যেতে পারে।

এই তথ্য বন বিভাগের পরবর্তী ১০ বছরের ওয়ার্কিং প্ল্যানে কাজে লাগানো হবে। মিশ্র বলেন, "নতুন পরিকল্পনায় বনে এখন আসলে কী ঘটছে, তা থাকতে হবে, দশ বছর আগে কী ছিল তা নয়।"

ছবি: Bernard Gagnon / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: ডাউন টু আর্থ

ডাউন টু আর্থসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

তীব্র গরমে কিস্তি স্থগিত: ঢাকার খাবার বিক্রেতাদের জন্য শীতলীকরণ ঋণ

ইফপ্রি ও শক্তি ফাউন্ডেশন এমন ঋণ তৈরি করছে, যা দিয়ে ঢাকার খাবার বিক্রেতারা ফ্রিজ, কুল বক্স ও ভ্যানের ব্যাটারি কিনতে পারবেন, আর তাপমাত্রা নির্দিষ্ট মাত্রা ছাড়ালে কিস্তি পিছিয়ে দিতে পারবেন।

CGIAR৩১ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

ফারমেন্টেশন প্রযুক্তির প্রোটিনে গরুর মাংসের চেয়ে ৯৮ শতাংশ কম নির্গমন

গুড ফুড ইনস্টিটিউট ৩০টির বেশি জীবনচক্র মূল্যায়ন বিশ্লেষণ করে দেখেছে, অণুজীব দিয়ে ফারমেন্টেশনে তৈরি প্রোটিনে মাংস, দুধ ও মাছের তেলের চেয়ে জমি, পানি ও গ্রিনহাউস গ্যাস অনেক কম লাগে।

Green Queen৩০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

টেংরাগিরি ইকোপার্কের ১৪ হরিণের ১১টি নেই, কারণ জানে না বন বিভাগ

বরগুনার তালতলীর টেংরাগিরি ইকোপার্কে শুরুতে থাকা ১৪টি হরিণের এখন আছে মাত্র তিনটি। হরিণের বেষ্টনী ভাঙা, আর বাকি ১১টির কী হয়েছে তার ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বন বিভাগ।

ইত্তেফাক৩০ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)