হিপ প্রতিস্থাপনের অস্ত্রোপচারের পর তিন মাস বিরতি দিয়ে বিফ সেন্ট্রালের কেজ কাটস কলামে ফিরেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গরুর মাংস শিল্পের বিশ্লেষক স্টিভ কে। তাঁর ভাষায়, এই তিন মাস বাজার ও রাজনীতি দুই দিক থেকেই চোখ খুলে দেওয়ার মতো ও উদ্বেগজনক ছিল। মতামত লেখকের নিজস্ব।
আগস্টে খুচরা গরুর মাংসের দাম কমায় বিক্রি বেড়েছে ১.২ শতাংশ; ইউএসডিএর হিসাবে তাজা গরুর মাংসের গড় দাম ছিল পাউন্ডপ্রতি ৯.৬৪ ডলার, যা তবুও এক বছর আগের চেয়ে ৪ থেকে ৫ শতাংশ বেশি এবং মুরগির গড় দাম ২.০১ ডলারের প্রায় পাঁচ গুণ। জীবন্ত গবাদিপশুর দাম পড়েছে অনেক বেশি: সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে স্টিয়ারের গড় দাম হান্ড্রেডওয়েটপ্রতি ২২২ ডলার, জুনের শুরুর প্রায় রেকর্ড দামের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ কম, অথচ মাংসের পাইকারি দাম কমেছে মাত্র ৪.২ শতাংশ, ফলে প্রক্রিয়াজাতকারীরা আবার মুনাফায়। কে-র মতে, কারখানা বন্ধ ও মুনাফা ধরে রাখার চেষ্টায় জবাই ঐতিহাসিকভাবে কম।
সেপ্টেম্বরের চতুর্থ সপ্তাহে জবাইয়ের প্রত্যাশা ছিল ৫ লাখ ৩৩ হাজার, কিন্তু দক্ষিণ-পশ্চিম ক্যানসাসে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার অভিযানে তিনটি বড় কারখানায় বহু শ্রমিক অনুপস্থিত থাকায় হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৮৪ হাজার। টেক্সাস, ক্যানসাস ও ওকলাহোমার খামারি সংগঠনগুলো বলেছে, এমন অভিযান বৈধ দক্ষ শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক ভীতি ছড়াচ্ছে, হাজারো গবাদিপশুর চালান আটকে লাখ লাখ ডলারের ক্ষতি হচ্ছে।
পলিটিকোর এক প্রতিবেদনের বরাতে কে লিখেছেন, আগস্টের শেষে ঘোষিত ৯০ দিনে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টন শুল্কমুক্ত গরুর মাংস আমদানির সিদ্ধান্ত, যার বড় লাভবান ব্রাজিল, কমানোর কথা ভাবছেন হোয়াইট হাউসের কিছু কর্মকর্তা; তবে হোয়াইট হাউস ও ইউএসটিআর আনুষ্ঠানিক কোনো পদক্ষেপের কথা অস্বীকার করেছে। কে মনে করেন, প্রশাসন উৎপাদক ও ভোক্তাদের সাহায্যের দাবি করলেও বাস্তবে উল্টোটাই ঘটছে বলে মনে হয়।
সূত্র: Beef Central


মন্তব্য
(০)