ভারতের জলবায়ু আলোচনা এখন মূলত সৌরশক্তির সক্ষমতা, বৈদ্যুতিক গাড়ির বিক্রি ও সবুজ হাইড্রোজেনের মতো প্রযুক্তিগত লক্ষ্য ঘিরে, কিন্তু সেখানে অনুপস্থিত গান্ধীর প্রশ্ন: কতটা হলে যথেষ্ট? ডাউন টু আর্থে এক কলামে এ যুক্তি দিয়েছেন পি দিব্যা। মতামত লেখকের নিজস্ব।
দক্ষতা মানে কম সম্পদে একই সেবা, আর যথেষ্টতা প্রশ্ন করে সেবাটি আদৌ ওই মাত্রায় দরকার কি না। লেখকের মতে, বৈদ্যুতিক গাড়ি ধোঁয়া কমালেও যানজট বা জনপরিসরের অসম ব্যবহার মেটায় না; নবায়নযোগ্য জ্বালানিরও জমি, পানি এবং লিথিয়াম, নিকেল, কোবাল্ট, তামার মতো খনিজের চাহিদা আছে। দক্ষতা বাড়লে খরচ কমে ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার প্রবণতাও লাভ কমিয়ে দিতে পারে।
কলামটি বিষয়টিকে জলবায়ু ন্যায়বিচারের কাঠামোয় রাখে: কোটি কোটি ভারতীয়ের এখনো ভালো আবাসন, বিদ্যুৎ, শীতলতা ও যাতায়াত দরকার, আর মাথাপিছু নিঃসরণ ধনী দেশগুলোর চেয়ে অনেক কম। তবে লেখকের যুক্তি, উন্নয়নে সম্পদনির্ভর জীবনধারার অনুকরণ উচিত নয়, আর বড় পরিবেশগত পদচিহ্নের সচ্ছল পরিবারগুলোকেই বেশি সংযমী হতে হবে, দরিদ্রদের নয়।
প্রস্তাবের মধ্যে আছে ছায়া, বায়ুচলাচল ও প্রাকৃতিক শীতলতার ভবন নকশা, বাসা, কর্মস্থল ও স্কুল কাছাকাছি রাখা শহর, বাস্তবসম্মত মেরামতের অধিকার, উৎপাদকের বর্ধিত দায় এবং খাদ্য ও উপকরণের অপচয় কমানো। গান্ধীর ট্রাস্টিশিপ ধারণা টেনে লেখক বলেন, জমি, পানি, খনিজ ও বায়ুমণ্ডলকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রাখা যৌথ সম্পদ হিসেবে দেখতে হবে।
সূত্র: ডাউন টু আর্থ


মন্তব্য
(০)