জয়পুরহাটে আগাম জাতের আমন ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে। মাঠে ফলন ভালো হলেও বাজারে আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় লোকসানের আশঙ্কা করছেন জেলার কৃষকেরা। তাঁদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচের তুলনায় ধানের দাম কম।
জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যে, চলতি মৌসুমে জয়পুরহাটে ৭০,০৯৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল; আবাদ হয়েছে ৭০,১১০ হেক্টরে। স্থানীয় ও উফশী (উচ্চ ফলনশীল) জাত মিলিয়ে এ পর্যন্ত প্রায় ৮৭৮ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে।
কাটা চলছে ব্রি ধান ৭৫, ৮৭, ৯০, ১৭ ও ৭-এর মতো উফশী জাতের পাশাপাশি ‘ধানি গোল্ড’-এর মতো হাইব্রিড জাতেরও। ধান কাটার মধ্যেই কৃষকেরা পরের রবি ফসলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ক্ষেতলাল উপজেলার মধ্যপাড়া গ্রামের কৃষক মো. নাসির উদ্দীন বলেন, বাজারে ধানের দাম নেই, অথচ কীটনাশক ও ওষুধের দাম অনেক বেশি। গত বছর আলু চাষেও তাঁদের বড় লোকসান হয়েছে, এখন খরচের টাকাই উঠছে না। তাঁর কথায়, ‘ধানের দাম কিছুটা বাড়লে আমরা বাঁচব।’
জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান জানান, জয়পুরহাটে আলুর পাশাপাশি প্রচুর ধান হয়, আর বাজারে আগাম আমন আসতে শুরু করলেও কৃষকেরা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে, এখনই কম দামে ধান বিক্রি না করে কিছু সময় বাড়িতে রেখে বাজার দেখে বিক্রি করতে।
তিনি বলেন, কোনো চক্র যেন কম দামে ধান কিনে মজুত করে বাজার অস্থির করতে না পারে, সে জন্য নিয়মিত বাজার তদারকি চলছে; অনিয়ম পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিবেদনটি করেছেন বাংলা নিউজ ২৪-এর ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট শাহিদুল ইসলাম সবুজ।
ছবি: Mahmuda NazninH / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)