চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের করিমপুর গ্রামে অনুমোদন ছাড়া একটি জৈব সার কারখানা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। ‘তাকওয়া এগ্রো এন্টারপ্রাইজ’ নামের কারখানাটি নিয়ে পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ জানিয়ে দ্রুত তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থার দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কারখানাটি গ্রামের প্রধান সড়কের পাশে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই, কৃষি বিভাগের অনুমোদনও নেওয়া হয়নি। রাতে উৎপাদিত সার বস্তায় ভরে বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয় বলেও তাঁদের অভিযোগ, ফলে সারের মান ও বাজারজাতকরণের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
করিমপুরের বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জনবসতিপূর্ণ এলাকায় সরকারি অনুমোদন ছাড়া কীভাবে একটি জৈব সার কারখানা গড়ে উঠল, তা আমাদের বোধগম্য নয়।’ প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়বে বলে তাঁর আশঙ্কা।
কারখানার মালিক মো. নাসির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি যে সার তৈরি করেন তার কোনো অনুমোদন লাগে না। তিনি স্থানীয় বাজারে সার বিক্রি করেন না; বস্তায় ভরে সরাসরি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করেন, তারাই এসে নিয়ে যায়।
জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, অবৈধভাবে কারখানা গড়ে তোলার বিষয়টি তাঁরা জেনেছেন। কয়েকবার অভিযান চালানো হলেও ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। অনুমোদন ছাড়া কারখানা চালানো হলে তদন্তসাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
জৈব সার কেনার আগে কৃষকের জন্য সারের উৎস ও মান যাচাই গুরুত্বপূর্ণ, আর এ ঘটনায় সেই মানের প্রশ্নটিই উঠেছে। খবরটি দৈনিক বাংলার সারাবাংলা বিভাগের।
ছবি: কম্পোস্টের স্তূপ, Ksd5 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)
সূত্র: দৈনিক বাংলা





মন্তব্য
(০)