আগামী ৮ থেকে ১১ নভেম্বর জেদ্দায় অনুষ্ঠিত হবে ষষ্ঠ ‘হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী’। সৌদি আরবের হজ ও উমরা মন্ত্রণালয় এবং ‘পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম’-এর যৌথ আয়োজনে এতে ৫২০টির বেশি সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন দেশের হজবিষয়ক অফিসের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৭ সালের হজ মৌসুমের প্রস্তুতি যখন গতি পাচ্ছে, তখনই এই আয়োজন।
বার্তা২৪.কমের প্রতিবেদনে সম্মেলনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে হজযাত্রীর অভিজ্ঞতা দিয়ে। একটি উড়োজাহাজ সংস্থা সময়মতো হজযাত্রীকে সৌদি আরবে পৌঁছে দিতে পারে, পরিবহন সংস্থা বাস প্রস্তুত রাখতে পারে, মক্কার হোটেল কক্ষ প্রস্তুত রাখতে পারে; কিন্তু এসব সেবার মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি থাকলে একজন হজযাত্রীকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অনিশ্চয়তায় অপেক্ষা করতে হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের হজ অফিস নিজ দেশের হজযাত্রীদের ভাষা, রীতিনীতি ও ব্যবহারিক সমস্যা ভালো জানে, আর সৌদি কর্তৃপক্ষ ও সেবাদাতাদের রয়েছে পরিবহন, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও পবিত্র স্থানে যাতায়াত ব্যবস্থাপনার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। এক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব যেখানে শেষ, অন্যটির যেখানে শুরু, সেই জায়গাগুলো স্পষ্ট হলেই বড় উন্নতি সম্ভব।
প্রযুক্তি নিয়েও সতর্ক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে। একটি আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নির্মাতার চোখে নিখুঁত হলেও স্মার্টফোন চালাতে অসুবিধা হয় বা অপরিচিত ভাষার নির্দেশনা বোঝেন না, এমন বয়স্ক হজযাত্রীর জন্য তা খুব সহায়ক নাও হতে পারে। স্পষ্ট দিকনির্দেশনা, সেবাদাতাদের মধ্যে ভালো যোগাযোগ এবং সময়মতো তথ্যের মতো সাধারণ উদ্যোগও বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
প্রতিবেদনের মতে, সম্মেলনের সার্থকতা মাপা হবে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বা চুক্তিতে নয়, হজ ব্যবস্থাপনায় বাস্তব ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নতিতে। প্রতিবেদনটি বার্তা২৪.কমের ঢাকার স্টাফ করেসপন্ডেন্টের।
ছবি: জেদ্দা কর্নিশ, Sammy Six / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: বার্তা২৪





মন্তব্য
(০)