ইসলামে কিছু আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে হজের সমপরিমাণ সওয়াব লাভের সুযোগ রয়েছে বলে হাদিসে উল্লেখ আছে। ইশরাকের নামাজ, মা-বাবার সেবা, মসজিদে ফরজ নামাজ পড়তে যাওয়া, দ্বীনি জ্ঞান অর্জন এবং ফরজ নামাজের পর তাসবিহ পাঠ এর মধ্যে রয়েছে।
ইশরাকের নামাজ: ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করে সূর্যোদয় পর্যন্ত জিকিরে থাকা এবং সূর্য ভালোভাবে ওঠার পর দুই রাকাত ইশরাকের নামাজ আদায়ের বিশেষ ফজিলতের কথা এসেছে (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৫৮৬)। মা-বাবার সেবা: মা-বাবার খেদমত, বিশেষ করে মায়ের সেবার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও বিশেষ সওয়াব অর্জনের কথা হাদিসে রয়েছে (শুআবুল ইমান, হাদিস: ৭৮৯৩)।
মসজিদে নামাজ: পবিত্র হয়ে ফরজ নামাজের উদ্দেশ্যে মসজিদে যাওয়ারও বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৫৫৮)। দ্বীনি জ্ঞান: ভালো ও কল্যাণকর জ্ঞান অর্জন বা অন্যকে শেখানোর উদ্দেশ্যে মসজিদে যাওয়াকে হাদিসে মর্যাদাপূর্ণ আমল বলা হয়েছে (আল-মুজামুল কবির, হাদিস: ৭৪৭৩)।
নামাজের পর তাসবিহ: প্রতিটি ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ এবং ৩৩ বা ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পাঠের ফজিলত সহিহ বুখারির হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী আর্থিক ও শারীরিক সামর্থ্য থাকলে জীবনে অন্তত একবার হজ পালন ফরজ। এসব নফল আমলে হজের সমান সওয়াবের সুযোগ থাকলেও এগুলো কখনো ফরজ হজের বিকল্প নয়। এগ্রিকেয়ার২৪ লেখাটি প্রকাশ করেছে দেশকাল নিউজের বরাতে।
ছবি: মসজিদুল হারামে কাবা চত্বর, omar_chatriwala / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪





মন্তব্য
(০)