জাপানের কোষভিত্তিক কৃষি প্রতিষ্ঠান IntegriCulture (ইন্টেগ্রিকালচার) নিইগাতা ভেঞ্চার ক্যাপিটালের একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন তহবিল থেকে ১০ কোটি ইয়েন (৬ লাখ ৩৫ হাজার ডলার) পেয়েছে। গ্রিন কুইনে ৩০ অক্টোবর এ খবর দিয়েছেন অনয় মৃদুল। এটি প্রতিষ্ঠানটির সিরিজ-এ তহবিলের ৭০ কোটি ইয়েনের পরিকল্পিত সম্প্রসারণের অংশ; ২০২০ সালে মূল সিরিজ-এ পর্বে উঠেছিল ৮০ কোটি ইয়েন। সম্প্রসারণ পর্বে এ পর্যন্ত এসেছে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ ইয়েন।
টোকিওভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি প্রাণীর কোষ চাষের অবকাঠামো এবং তা দিয়ে খাদ্য, উপকরণ ও প্রসাধনী তৈরি করে। প্রথম বাজার প্রসাধনী হলেও তারা সামুদ্রিক খাবার ও হাঁসের মাংসসহ কালচার্ড মাংস নিয়েও কাজ করছে। প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী Yuki Hanyu (ইউকি হানিউ) জানান, বছরের শেষ দিকে আরও কয়েকজন বিনিয়োগকারী যুক্ত হতে পারেন।
তাদের কাজের একটি বড় দিক সাকে (জাপানি চালের মদ) তৈরির কারখানার সঙ্গে সহযোগিতা। সাকের গাদ ও শৈবালের অবশিষ্টাংশের মতো কম ব্যবহৃত উপজাত তারা কোষ চাষের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে। এতে অংশীদার নিইগাতার ইচিমাসা কামাবোকো, সুনান ব্রুয়িং ও স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়। চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটি খুচরা বিক্রেতা ওইসিক্স ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান এনএসজি গ্রুপের নিইগাতা ফুড টেক টাউন উদ্যোগে যোগ দিয়েছে। নিইগাতাকে গবেষণা, বাণিজ্যিক পরীক্ষা ও গ্রাহক যাচাইয়ের কেন্দ্র বানাতে চায় তারা।
প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা Kazuhiko Kawashima (কাজুহিকো কাওয়াশিমা) বলেন, "আমরা নতুন কিছু জিনিসও আবিষ্কার করেছি, যেমন মদ তৈরির পানি আর সাকের গাদে কোষ বাড়ছে।" তাঁর মতে, কোষ যে পরিবেশে বাড়ে, তা কীভাবে মানসম্মত করা যায়, সেটি তাঁরা মদ তৈরির কৌশল থেকেই শিখেছেন।
নতুন অর্থে কোষভিত্তিক প্রসাধনী সেলামেন্টের উন্নয়ন দ্রুত হবে। এটি মুরগির ডিমের কোষ চাষ করে তৈরি একটি সিরাম। এর সঙ্গে ব্যবসায়ী গ্রাহক বাড়ানো ও নিজস্ব কোষ চাষ প্রযুক্তির গবেষণাতেও অর্থ যাবে। নিইগাতা ভেঞ্চার ক্যাপিটালের পরিচালক Toshihiko Nagase (তোশিহিকো নাগাসে) বলেন, নিইগাতার গাঁজন, মদ তৈরি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সঙ্গে এই পদ্ধতি খুব মানানসই।
হানিউ চলতি বছরের শুরুতে গ্রিন কুইনকে জানিয়েছিলেন, ২০২৫ অর্থবছরে ইন্টেগ্রিকালচার মুনাফায় পৌঁছেছে।
ছবি: nubobo / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Green Queen





মন্তব্য
(০)