ইসলামে ঋণ করা নিরুৎসাহিত করা হয়েছে এবং পরিশোধকে দেওয়া হয়েছে বড় গুরুত্ব। তবু অভাব, অসুস্থতা বা ব্যবসায়িক ক্ষতিতে মানুষ অনেক সময় ঋণে পড়ে। প্রথম আলোর ধর্ম ডেস্কের লেখায় এই অবস্থা থেকে বেরোনোর কয়েকটি পথের কথা বলা হয়েছে।
প্রথম শর্ত হলো পরিশোধের দৃঢ় নিয়ত। সহিহ বুখারির ২৩৮৭ নম্বর হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি পরিশোধের উদ্দেশ্যে মানুষের সম্পদ ঋণ হিসেবে নেয়, আল্লাহ তার পক্ষ থেকে তা পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেন। আর যে তা বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে নেয়, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করে দেন।
দ্বিতীয়টি দোয়া। সুনানে আবু দাউদের ১৫৫৫ নম্বর হাদিসে বর্ণিত, ঋণের দায়ে বিষণ্ণ আবু উমামা (রা.)-কে নবীজি সকাল-সন্ধ্যায় দুশ্চিন্তা, অক্ষমতা, অলসতা, কৃপণতা, ভীরুতা এবং ঋণের বোঝা ও মানুষের আধিপত্য থেকে আশ্রয় চেয়ে দোয়া করতে বলেন। সুনানে তিরমিজির ৩৫৬৩ নম্বর হাদিসে হালাল রিজিকে অভাবমুক্ত হওয়ার দোয়াও এসেছে।
দোয়ার পাশাপাশি বাস্তব পদক্ষেপও জরুরি। লেখায় বলা হয়েছে, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির উচিত অপচয় ও বিলাসিতা ছাড়া এবং নিজের ও পরিবারের মৌলিক প্রয়োজন মেটানোর পর উদ্বৃত্ত আয় দিয়ে আগে ঋণ শোধ করা।
পাওনাদারের জন্যও নির্দেশনা আছে। সুরা বাকারার ২৮০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ঋণগ্রহীতা অভাবগ্রস্ত হলে সচ্ছলতা আসা পর্যন্ত তাকে অবকাশ দেওয়া উচিত।
সূত্র: প্রথম আলো



মন্তব্য
(০)