রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) শুরু হয়েছে তিন দিনের ১৪তম আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলা। চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। রুরাল ডেভেলপমেন্ট একাডেমি (আরডিএ), বগুড়া এবং লিমরা এক্সিবিশনসের যৌথ আয়োজনে ১৪টি দেশের প্রায় ২৫০টি প্রতিষ্ঠান ৫০০টি স্টলে কৃষিপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবন দেখাচ্ছে।
উদ্বোধনে প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, কৃষি, কৃষক ও গবেষকদের যথাযথ মূল্যায়ন না করলে দেশ কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে না। তিনি কৃষির যান্ত্রিকীকরণ, উন্নত বীজ, পণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর কথা বলেন।
সার নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক কৃষক জমির প্রয়োজন বুঝে সার দেন না। এতে খরচ বাড়ে, পরিবেশেরও ক্ষতি হয়। মাটি পরীক্ষা করে সুষম সার এবং জৈব সারের ব্যবহার বাড়াতে হবে। সার খাতে সরকারের বছরে প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি লাগছে। আরডিএর ভূগর্ভস্থ পাইপলাইনে সেচের প্রযুক্তি খরচ ও পানির অপচয় কমাচ্ছে বলে উল্লেখ করে তিনি তা সারা দেশে ছড়াতে বলেন।
আলুর উদ্বৃত্ত উৎপাদন নষ্ট না করে তা থেকে স্টার্চ তৈরির সুযোগের কথা জানান তিনি। দেশে প্রতিবছর প্রায় ৩,৫০০ কোটি টাকার স্টার্চ আমদানি হয়। উত্তরাঞ্চলে আট থেকে ১০টি কারখানার সম্ভাবনা নিয়ে সরকার কাজ করছে। ভোজ্যতেলের আমদানি কমাতে আরডিএর মাধ্যমে বগুড়া, গোপালগঞ্জ, রংপুর ও জামালপুরে সূর্যমুখী ও সয়াবিন থেকে তেল উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আটা-ময়দায় ১০ ধরনের ভিটামিন মেশানো বাধ্যতামূলক করতে আইনের প্রস্তুতি চলছে এবং চালকে পুষ্টিসমৃদ্ধ করার উদ্যোগ আছে বলেও তিনি জানান।
মেলা উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, কৃষি টিকিয়ে রাখতে ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তির বিকল্প নেই। কৃষক কার্ডে উপকরণ সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ, কৃষি বিমা এবং সংরক্ষণ ও বিপণন সুবিধা বাড়ানোয় সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তিনি জানান।
সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪



মন্তব্য
(০)