শেরপুরের গারো পাহাড়ে হাতির অভয়ারণ্য গড়ে তোলা ও পর্যটনব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে হাতি-মানুষের সংঘাত নিরসন এবং অবৈধ বন দখল বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে নালিতাবাড়ীর মধুটিলা ইকোপার্কে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি), গণমাধ্যমকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে হাতি চলাচলের জন্য ছয়টি করিডোর তৈরির বিষয়ে দুই দেশের সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী বৈঠকের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে; আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এ বৈঠক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গারো পাহাড়ে অভয়ারণ্যের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বন বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সভা শেষে মন্ত্রী হাতির আক্রমণে হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণের চেক এবং ৩২টি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের মধ্যে জগলাইটসহ হাতি তাড়ানোর সরঞ্জাম বিতরণ করেন। এর আগে তিনি গারো পাহাড়ে হাতি চলাচলের করিডোর পরিদর্শন করেন, পরে ঝিনাইগাতীতে আরেকটি মতবিনিময় সভায় ক্ষতিগ্রস্তদের চেক দেন।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম, বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ ঢাকা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. ছানাউল্যা পাটওয়ারী, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম এবং এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য লরেন্স দ্রং বক্তব্য দেন।
প্রতিবেদনটি কৃষি সংবাদের শেরপুর প্রতিনিধির।
ছবি: AKM Emdadul Islam Bitu / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0); কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে এশীয় হাতি
সূত্র: কৃষি সংবাদ





মন্তব্য
(০)